AD (728x90)

Powered by Blogger.

Search Of Light

Search Of Light
  • 2793 Pine St

    অনলাইনে আয় করুন

    আমরা নিয়মিত যারা পত্র পত্রিকা পড়ে থাকি বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি তারা অনেকেই জানি যে অনলাইনে কাজ করে বর্তমানে অর্থ উপার্জনের জন্য রয়েছে অসংখ্য উপায়। যেমন নিজের ওয়েব সাইটে গুগলের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে আয়, ফ্রিল্যান্সিং, ইকমার্স, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদির মাধ্যমে আয়। কিন্তু আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে অনলাইলে আয়...

  • 1100 Broderick St

    প্রটেক্ট করুন আপনার কম্পিউটার এর USB ডিভাইস গুলো

    Disk Security 100% সুরক্ষা প্রদান করবে আপনার USB ড্রাইভ। অনেক সময় আমাদের ব্যবহৃত পেনড্রাইভগুলোতে ভাইরাস থাকে.......... সেগুলোর জন্য আমরা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করি, কিন্তু এন্টিভাইরাস সবসময় আপডেট দিতে হয়......

  • 868 Turk St

    সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)

    এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি? সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন হল অনেকের মধ্যে একটি পদ্ধতি যা কোন সাইট এর সার্চ ইঞ্জিন এর অবস্থান নির্ধারণ করে। অর্থাৎ এটি একটি প্রচারনা মাধ্যম।প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর একটি নির্দিষ্ট অপটিমাজেশন প্রণালী আছে। প্রতিটি সার্চ ইজিন এর জন্য এই নিয়ম অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন। তবে সকলে কিছু জিনিস ব্যবহার করে যা সকল সার্চ ইঞ্জিনে বিদ্যমান।প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য প্রচারণা ব্যবস্থা প্রায় এক হলেও কিছুটা পার্থক্য আছে। আমাদের প্রয়োজনীয় বিষয় হচ্ছে সেই সমান দিক গুলোকে ব্যবহার করা।

  • 420 Fell St

    ত্বকের যত্ন

    সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা কত বেস্ত থাকি। এর মধ্য নিজের ত্বকের দিকে খেয়াল নেওয়ার সময় ই হয়ে ওঠে না। সত বেস্ততার মধ্যেও হলেও আমাদের একটু ত্বকের যত্ন নিতে হবে। আশুন জেনে নেই কিভাবে ত্বকের যত্ন নিতে হবে। ঘুম থেকে উঠে শসার রস, বা গোলাপ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। শুধু রোদের সময় নয় বৃষ্টির দিনেও সানব্লাক ক্রিম ব্যবহার করুন। সানব্লাক ক্রিম রোদ থেকে ৩ ঘণ্টা রক্ষা করে।...

Feature Top (Full Width)

Showing posts with label এসইও. Show all posts
Showing posts with label এসইও. Show all posts

Tuesday, August 5, 2014

ব্লগিং করে আয়ের উপায় সম্পর্কে জানুন এখানে

আসসালামু আলাইকুম। পরম করুণাময় এবং অতিশয় দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে শুরু করছি। অনলাইনে আয়ের রয়েছে হাজার উপায়। কিন্তু তার মধ্যে একটি হল ব্লগিং করে আয়। ব্লগিং বলতে আমরা বুঝি কোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি যা থেকে আয় করা যায়। আসলে ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে আয় করা সম্ভব। এর মধে র‍্যেছে গুগল এডসেন্স। গুগল কে তা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না, আর এই গুগল এর একটি প্রোডাক্ট হচ্ছে গুগল এডসেন্স। তাছাড়াও ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে আপনি বিভিন্ন ভাবে আয় করতে পারেন। নিচে আপনি নতুন অবস্থায় যে যে উপায়ে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে আয় করতে পারেন তার বিবরণ দেয়া হল-



১. গুগল এডসেন্স থেকেঃ গুগল এডসেন্স দিয়ে আয় করতে হলে আপনাদের অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। সিস্টেমটা হচ্ছে আপনাকে প্রথমে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ বানাতে হবে। তারপর এতে ভিজিটর  আনতে হবে। ভিজিটর আসা শুরু করলে আপনার সাইটে আপনি গুগল এর কাছে বিজ্ঞাপনের জন্য আবেদন করতে হবে। সাইট্টি যদি ভাল মানের হয় তাহলে গুগল আপনার সাইটে তাদের বিজ্ঞাপন দেয়ার অনুমতি দিবে। অনুমতি পেলেই আপনি আপনার সাইটে গুগল এডসেন্স থেকে বিজ্ঞাপন পেয়ে যাবেন যা আপনাকে আপানার সাইটে বসিয়ে দিতে হবে। পরে আপনার কোন ভিজিটর ঐ বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে গুগল আপনাকে টাকা দিবে। এই হল এডসেন্স এর পুরো সিস্টেম।

২. পণ্য বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনি আপনার ব্লগের মাধ্যমে আপনার বা আপনার কোম্পানির পণ্য বিক্রি করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার আয় হবে আপনার সেলের উপর নির্ভরশীল। আপনার যত বেশি সেল হবে আপনি তত আয় করতে পারবেন। তবে ব্লগের একটি বিশেষ সুবিধা হল কোন পন্য সম্পর্কে আপনার বিভিন্ন জনের কাছে একই কথা বার বার বলতে হবে না। একবার সাইটে লিখে দিলেই যথেষ্ট। এইভাবে পণ্য বিক্রি করেও আপনি আয় করতে পারেন।

৩. এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ এটিও অনেকেটা পণ্য বিক্রির প্রসেস। এক্ষেত্রে আপনি অনলাইন থেকেই বিভিন্ন পণ্য পাবেন এবং সেই পন্যের বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে দিতে হবে। কেউ যদি অনালাইনে অর্ডার করে সেই পণ্য কিনে তাহলে আপনি সেখান থেকে কিছু কমিশন পাবেন। কিছু কিছু কোম্পানি আছে যারা ৫০% কমিশন ও দিয়ে থাকে। কাজেই আপনি এই এফিলিয়েট মার্কেটিং করেও আয় করতে পারেন।



উপরে ব্লগিং করে বা ওয়েবসাইট দিয়ে আপনি কিভাবে আয় করতে পারেন তার কিছু ছোটখাট বর্ণনা দেয়া হয়েছে। তবে ওয়েবসাইট থেকে সবচেয়ে ভাল পরিমাণ আয় করা সম্ভব গুগল এডসেন্স দিয়ে। তার জন্য চাই ভাল মানের ওয়েবসাইট। আপনি চাইলে ফ্রী ব্লগ দিয়েও ট্রাই করে দেখতে পারেন। তবে বাংলাদেশ থেকে ফ্রী ব্লগে গুগল এডসেন্সের অনুমতি দেয় না। কাজেই আমার মতে ওয়েবসাইট তৈরি করাই ভাল। কারন জানেন ই তো, ফ্রী জিনিস আর কতই বা ভাল হবে? তবে গুগল এর ফ্রী ব্লগ কিন্তু অনেক ভাল বাট গুগল বাংলাদেশে ফ্রী ব্লগে অনুমতি প্রায় দেয় না বললেই চলে। কাজেই ওয়েবসাইট তৈরি করে এডসেন্স এর জন্য আবেদন করাই উত্তম।

Wednesday, June 25, 2014

কিওয়ার্ড রিসার্সের জন্য নিয়েনিন দারুন একটি সফটওয়্যার বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল সহ – পলকেই সর্ট টেইল বা লং টেইল কিওয়ার্ড নির্বাচন করুন

আমি আপনাদের একটি দারুণ Keyword Research সফটওয়্যার দিব যা দিয়ে আপনি চোখের নিমেষেই কিওয়ার্ড রিসার্স করতে পারবেন।
সফটওয়ার টির মূল বৈশিষ্ট্য হল
১. আকারে ছোট
২. যেকোনো ধরনের ইউজার ব্যাবহার করতে পারবেন খুব সহজেই
৩. কিওয়ার্ড রিসার্সের জন্য শুধু কিওয়ার্ড টি লিখে সার্স দিলেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদর্শন করবে
৪. কম ইন্টারনেট স্পিডেও খুব ভালো ভাবেই চলে
আমি এই সফটওয়্যার টির ইনেষ্টলেশন পদ্ধতি ও ব্যাবহার বিধি সম্পূর্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল আকারে দিয়ে দিয়েছি তাই এখানে বিস্তারিত লিখলাম না।

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

Sunday, June 22, 2014

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) এক্সপার্ট হতে হলে যা আপনাকে জানতে হবে

সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি আমাদের আজকের টিউনে। যেহেতু আজকের প্রসঙ্গ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কেন শিখব, কি লাভ হবে এটা শিখলে, এই বিষয়গুলো আলোচনা করার পূর্বে আমরা একটু জেনে নিই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও আসলে কি ?

এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন হল অনেকের মধ্যে একটি পদ্ধতি যা কোন সাইট এর সার্চ ইঞ্জিন এর অবস্থান নির্ধারণ করে। অর্থাৎ এটি একটি প্রচারনা মাধ্যম।প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর একটি নির্দিষ্ট অপটিমাজেশন প্রণালী আছে। প্রতিটি সার্চ ইজিন এর জন্য এই নিয়ম অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন। তবে সকলে কিছু জিনিস ব্যবহার করে যা সকল সার্চ ইঞ্জিনে বিদ্যমান।প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য প্রচারণা ব্যবস্থা প্রায় এক হলেও কিছুটা পার্থক্য আছে। আমাদের প্রয়োজনীয় বিষয় হচ্ছে সেই সমান দিক গুলোকে ব্যবহার করা।

কেন শিখবেন এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন?

ইন্টারনেট মার্কেটিং একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। যা কিনা সার্চ ইঞ্জিন (গুগল, বিং, ইয়াহু, এমএসএন ইত্যাদি) থেকে অর্গানিক ভিজিটর সাথে কোয়ালিটি ভিজিটর আনতে সাহায্য করে। যখন মানুষ সার্চ ইঞ্জিনে কোন কি-ওয়ার্ড দ্বারা সার্চ করবে, আর আলটিমেটলি সেই কি-ওয়ার্ডে আপনার সাইট র‍্যাঙ্কে থাকে তখন যে ব্যাপার টা হয়, সেটা আমি একটু ছক আকারে দেখালাম।
SEO Optimized -> Highly Visiable -> More Visitors
আর উপরের ছক থেকে আমরা জানি যে More Visitors -> More Money !
আর মানুষ এই কারনে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার জন্য পাগল। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানা থাকলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফ্রী ভিজিটর যেরকম আনা যায়, সেরকম গুগলকে প্রতি মাসে হাজারের উপর ডলার দেওয়া থেকে বেচে যাওয়া যায়। এক কথায় বলা যায় যে, কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ইনকাম করতে হলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আপনাকে শিখতেই হবে।
একটা উদাহরণ দেওয়া গেলে মনে হয় বেশি ক্লিয়ার হওয়া যেত। যদি আমরা গুগলে যেয়ে সার্চ করি “hotel in helsiniki finland” । তাহলে ২ ধরনের রেজাল্ট দেখতে পারবেন। একটা এসইও অপ্টিমাইজড এবং অপরটি পেইড। নিচে ছবিটাতে একটু লক্ষ্য করে দেখুন প্রথম ৩ টা পেইড রেজাল্ট। এই কী-ওয়ার্ডের সর্ব প্রথম রেজাল্টে আসার জন্য গুগলকে অর্থ প্রদান করতে হচ্ছে। কিন্তু এই ৩টির পর সাধারন সার্চ রেজাল্ট। যার কিনা গুগলকে কোন ধরনের অর্থ প্রদান করতে হচ্ছে না।

এখন হয়তো কেউ বলতে চাইবে “ এটা কিন্তু টপ লিস্টে নাই” ।
আপনার কথা ঠিক আছে। কিন্তু আপনি কি জানেন উপরের পেইড লিস্টে যদি আপনার আপনার ওয়েব সাইট থাকে তবে তার প্রতি ক্লিকের জন্য ১ ডলার করে পে করতে হবে! তো এখন আপনি কি ১ টা ক্লিকের জন্য ১ ডলার পে করতে প্রস্তুত না কি ১০০% ফ্রীতে নিতে প্রস্তুত ?
পেইড মার্কেটিং টা আসলে পছন্দের তালিকায় সবার থাকে না বললেই চলে। কিন্তু কোন না কোন কারনে করতে হয়। আর রিসার্চ করে দেখা যায় যে, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন না জানার ফলে তারা এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
এমনকি যখন কেউ চিন্তা করে যে, আমি একজন মার্কেটার দ্বারা আউটসোর্স করিয়ে নিয়ে কাজ করাব। আমি কি জন্য মার্কেটিং শিখতে যাব? কিন্তু সিদ্ধান্ত এখানেই ভুল !! কারন একজন ভালো মানের মার্কেটাররা বসে থাকে না। তারা কোন না কোন কাজের সাথে যুক্ত থাকে। তখন সে যাকে দিয়ে আউটসোর্স করানোর চিন্তা করে তখন দেখা যায় সে আসলে একজন দক্ষ মার্কেটার না। ফলশ্রুতিতে তাকে পড়তে হয় একটা খারাপ অবস্থাতে। হতে পারে আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিন থেকে পেনাল্টি খেয়েছে বা আপনার সাইট নিয়ে সে স্প্যাম করেছে।
তবে আমরা কোনভাবে বলছি না যে আপনি আউটসোর্স করাবেন না। হ্যাঁ আপনি আউটসোর্স করাবেন, কিন্তু তার জন্য আপনার থাকা চায় সার্চ ইঞ্জিনের উপর যথার্ত জ্ঞান। এতে করে আপনি নিজে আপনার সাইটের মার্কেটিং প্ল্যান নিজের মত সাজাতে পারবেন। আর যখন আপনি প্ল্যান রেডি করবেন তখন ছোট ছোট কাজগুলোকে ভাগ করে নিয়ে আউটসোর্স করাবেন। এতে আপনার টাকা এবং সময় অনেক বেচে যাবে এবং সেই সাথে সাইটের র‍্যাঙ্ক বাড়বে।
মুল কথা আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখেন তবে আপনার জন্য যে কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন অনলাইন আয়ের জগতে। একটা প্রোডাক্ট তৈরি করা থেকে একটা প্রোডাক্ট মার্কেট পাওয়া অনেক কষ্ট। আর আপনি যখন সেই কঠিন কাজটা নিজের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন তখনি আপনি অনলাইন আয়ের জগতে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে পারবেন।
পেছনের বছরের সাথে বর্তমানকে একটু তুলনা করে দেখুন তো। তুলনা করে দেখুন তো প্রযুক্তি কতটুকু এগিয়েছে? কিন্তু আমরা আসলে এটা দ্বারা বা এই প্রযুক্তি দ্বারা কি বোঝাতে চাচ্ছি। শুধু কি ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানগুলো অসাধারন জিনিস বের করতেছে বা মানুষ এই মহাকাশ থেকে ওই মহাকাশে যাচ্ছে, এটা কে বোঝাতে চাচ্ছি। না এই ধারনাটা একদম ভুল ।
প্রযুক্তি এই সবগুলো সাথে নিয়ে অনলাইন থেকে প্রোডাক্ট বিক্রি, প্রোডাক্ট কেনা, প্রোডাক্টের মার্কেটিং করা। এক কথায় সাধারন জীবন-যাপন যেভাবে চলে সেভাবে চলবে অনলাইনে। আর সেটাকে প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা বলা হচ্ছে। অনলাইন জগত কে আপনি একটা আয়ের প্ল্যাটফর্ম বলতে পারবেন।
তো মুল কথা তে ফিরে যায়। দেখে নিই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখলে কিভাবে লাভবান হবেন।
  • ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে।
  • আরওআই বা আপনার বিনিয়োগ ফিরে পাবেন (ROI=Return on Investment)
  • প্রচুর পরিমাণ বিনিয়োগ বাঁচাতে পারবেন।
  • খুব কম বিনিয়োগে নিজের কোম্পানি বা ব্র্যান্ড কে প্রচার করাতে পারবেন।
  • ওয়েবসাইট বিশ্বাসস্থাপন সৃষ্টি করতে পারবেন।
একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার পারেন একটা ব্র্যান্ডকে সবার সামনে সুন্দরভাবে উপস্থাপনা করতে।যখন কোন প্রোডাক্টে সার্চ রেজাল্টে উপরের পজিশনে কারর ওয়েবসাইট থাকে তখন সবাই সেটাকে বিশ্বাস করে। কারন মানুষ গুগলকে বিশ্বাস করে। যার কারনে সবার ভিতর একটা বিশ্বাস আসে ওয়েবসাইটের উপর।  যার ফলে ওয়েব সাইট এর ট্রাষ্ট অথোরিটি টা বেড়ে যায়। এর ফলে প্রোডাক্ট বিক্রি বেড়ে যাবে। এই জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখা যেকারোর জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিভাবে সিলেক্ট করবেন কোথায় শিখবেন ? কিভাবে শিখবেন ? এই সব বিষয় নিয়ে পূর্বে লিখেছি। আপনারা সেটা পড়ে আসতে পারেন।
এখন কথা হলো আসলে কি শিখবেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এ এক্সপার্ট হবার এর জন্য? নিচে কিছু জিনিস আমি পয়েন্টআউট করে দেখানো হলো আপনাদের জন্যঃ

কিভাবে সাইটকে পেনাল্টির হাত থেকে বাঁচাতে হয়

সর্ব প্রথম জানতে হবে কিভাবে একটা সাইটকে প্রটেক্ট করতে হয়। আমরা মানুষ তাই সর্বদা সস্তা খুঁজি। কিন্তু আমরা হইত জানিনা এই চিপের ভিতর সবথেকে বেশি ধান্দাবাজি থাকে। যখন আপনি আপনার ওয়েবসাইট কোন সস্তা এসইও সার্ভিস কোম্পানির কাছে দিবেন তখন তারা আপনি যেরকম সস্তা দামে সার্ভিস দিতে চাইবেন সেইরকম সস্তা কাজ ও করে দেবে। তাদের টার্গেট থাকবে আপনার লক্ষ্য টা কে পুরন করে দেওয়া সেটা যেভাবে সম্ভব। কিন্তু এটাই সবথেকে বড় সমস্যা। কারন তারা রুলস না মেনে কাজ করবে। আর বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিন অনেক কড়াকড়ি রুলসের ভিতর চলে। সুতরাং সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনি যেকোনো মুহূর্তে পেনাল্টি খেতে পারেন। আর যেটা আপনি কখন ন্যাচারাল চোখ দ্বারা দেখতে পারবেন না। কিন্তু আপনার সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পড়ে সেটা উপলব্ধি করতে পারবেন। এই জন্য সাইট কে কিভাবে প্রটেক্ট রাখা যায় সেটা জানা শিখতে হবে। তাহলে আপনি কাজের রিপোর্ট নিয়ে তার সাথে রেজাল্ট নিয়ে কম্পেয়ার করতে পারবেন।

ব্যাক্তিগতভাবে সাইট ট্যাকেল দেওয়ার ক্ষমতা

এখন সস্তা বাদ দিয়ে আপনি হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিস কোম্পানি থেকে সার্ভিস নিলেন। কিন্তু তাতেই কি আপনার কাজ শেষ হয়ে গেল। তাদেরকে কাজ বুঝিয়ে দিয়ে পেমেন্ট করে আপনি কি বাসাই বসে ঘুম দিবেন বলে চিন্তা করছেন? যদি চিন্তা করে থাকেন তো তবে এবার একটু জেগে উঠুন ? বাসাই এসে আপনার কর্তব্য বর্তমান এলগোরিদম কি ? এসইও কোন দিক থেকে কাজ করতেছে ? এসইও কি আদৌ আসলে কাজ করতেছে সাইট পজিশনে আনার জন্য ? আপনাকে এইসব বিষয় খুজে খুজে বের করতে হবে।

পারফেক্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট তৈরি

যখন আপনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখবেন, তখন আপনার ভিতর একটা মেন্টালিটি সেটআপ হবে, আপনি নিজে একটা সুন্দর কিছু করার চেষ্টা করবেন। ধরলাম আপনি কোন এজেন্সিকে আপনার কাজটা না দিয়ে নিজে করবেন। কিন্তু যদি নিশ সিলেকশন হাই হয়। সেক্ষেত্রে আপনাকে ভালো একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট এর প্রয়োজন হবে। তখন আপনি তাকে আপনার টার্গেট, তার কাজ সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিতে পারবেন। এছাড়া আপনি পারফেক্টভাবে তাকে তদারকি করতে পারবেন। সে কোন ধরনের সমস্যার অন্তর্ভুক্ত হলে আপনি তাকে সেখান থেকে মুক্ত পারবেন।
ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন। আর কোন ধরনের গাইডলাইন প্রয়োজন হলে কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় ওয়েবকোড সর্বদা পাশে আছে।

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

কোন ওয়েবসাইটের এসইও করার জন্য অডিট চেকলিস্ট তৈরির সম্পূর্ণ গাইড

একটি ওয়েবসাইটের র‌্যাংকিং অনেকগুলো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। সেগুলোর উপর ভাল আইডিয়া থাকা দরকার। এসইও পুরো প্রজেক্ট শুরু করার আগে ওয়েবসাইটটির উপর ভিত্তি করে একটি অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত করা উচিত। সেই অডিট রিপোর্টে কি কি বিষয়ে নজর দিতে হবে, তা নিয়েই আজকের আমার আলোচনা। এখানে বলে রাখি, আমি যে বিষয়গুলো নজর দেই সেগুলোই এখানে উল্লেখ করেছি। অন্যদের কোন আইডিয়া সেটিও শেয়ার করতে পারেন, যাতে নতুন কিছু শিখতে পারি।
নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করে অডিট চেকলিস্ট তৈরি করে নিন।
webdesign

আর্কিটেকচার লেভেল এনালাইসিস

এখানে ডোমেইন লেভেল এনালাইসিস এর কিছু লিস্ট আছে। একটা সাইটের এসইও ইম্প্লিমেন্ট করতে হলে এসব কিছু বিবেচনা করা উচিত।
www  VS non www: আপনার ডোমেইনের সাথে www ব্যবহার করবেন নাকি করবেননা, সেই বিষয়ে কোন সমস্যা নাই। কিন্তু একবার যে ফরমেট ব্যবহার করবেন, সেটাই সবসময় ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন।  যেমন হতে পারে, আপনি genesisblogs.com লিখে মার্কেটিং করছেন, তাহলে সবজায়গাতে একই নাম ব্যবহার করলেই ভাল হবে। অন্য জায়গাতে, genesisblogs  লিখার দরকার নেই।
হোম পেইজ লিংকিং কন্সিসটেন্সি : পুরো ওয়েব সাইটটিতে হোম পেইজের সাথে লিংক থাকা খুবই গুরুত্বপুর্ন​। কিছু কিছু ওয়েব সাইট আছে যেগুলোর অসতর্কতার কারণে অভ্যন্তরীন পেইজ থেকে সরাসরি হোম পেইজে ব্যাক করার কোন লিংক থাকে না। ওয়েবসাইটের যেকোন পেজ থেকে হোম পেজে ফিরে আসার জন্য কোন একটা লিংক থাকা দরকার।
ক্যাপিটালাইজেসশন/লোয়ার কেস অফ ইউআরএল :  ইউআরএল এ সবসময় একটি ভার্সন ব্যবহার করতে হবে। যদি ক্যাপিটাল লেটারে লিখেন, তাহলে সব সেই লেটারেই লিখবেন, যদি লোয়ার কেসে লিখেন, তাহলে সব লোয়ার কেস হবে। দুটি মিশ্রনে যাতে ইউআরএল না হয়। ASP.net  প্লাটফরমে কোন কাজ করলে সাধারণত এ সমস্যাটি দেখা যায়।
 ক্যানোনিকেল লিংক এলিমেন্ট:  বর্তমানযুগে গুগলের র‌্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে ডুপ্লিকেট কনটেন্ট অত্যন্ত বিপদজনক। এটা যদি নিজের ওয়েবসাইটের ভিতরেও ২ ভিন্ন পেজে ডুপ্লিকেট কনটেন্ট হয়, সেটিও ক্ষতিকারক। অনেক সময় ই-কমার্স সাইট গুলোতে প্রতিটি কনটেন্টের জন্য  ইউনিক কন্টেন্ট তৈরি করা সম্ভব হ​য় না। সেই জন্য অরিজিনাল পেইজকে ক্যানোনিকেল ট্যাগ ব্যবহার করে দেখিয়ে দিতে পারেন।
রিডিরেকশনস্: রিডিরেকশনস্ এটিও অনেক ইম্পরটেন্ট। ৩০১ কোডটি হল সাধারন রিডিরেকশন কোড ।কিন্তু যেসব জায়গায় দৃশ্যকল্প আছে সেখানে বিভিন্ন কারনে ৩০২ রিডিরেকশন প্র​য়োজন। কোন ইউ আর এল টি ৩০১ এর জন্য ফিট আর কোনটি ৩০২ এর জন্য সেটিও বুঝার ব্যাপার আছে।
রোবট.টিএক্সটি ফাইল: এটিও অন্যতম একটি ফ্যাক্টর। অনেক এসইও এক্সপার্ট না বুঝে অর্থাৎ ওয়েবসাইটটির জন্য কোনটি উপযুক্ত, সেটি না বুঝেই রোবোট টেক্সট আপডেট করেন। এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় কাজে লাগাতে পারেন। সাইটম্যাপটি ভালভাবে দেখুন। সেটিা দেখলেই আপনার পক্ষে খুজে বের করা সম্ভব, কোন লিংকে গুগলকে প্রবেশ করতে দেওয়া উচিত হবেনা, আর কোনটিতে প্রবেশ করতে অনুমতি দেওয়া যায়। সেটি নির্ধারণ করেই রোবোট টেক্সট তৈরি করা উচিত।
ইউআরএল ফ্রেন্ডলিনেস: আপনার ওয়েব সাইটের ইউআরএল স্ট্রাকচারটি সহজ হওয়া উচিত- যাতে করে যে কেউ সহজে সাইটটিতে ঢুকতে পারে এমনকি গুগল এর কাছেও আপনার পেইজটি ক্রল করা সহজ হয়্। তাই এমন ডোমেইন পছন্দ করুন, যাতে সেখানে স্পেশাল কোন ক্যারেক্টার না থাকে এবং ডোমেইন নামটি যাতে খুব বড় হয়ে না যায়।
এক্স এমএল সাইট  ম্যাপ : অধিকাংশ মানুষকে দেখি সাইটম্যাপ তৈরি ব্যপারে খুব বেশি মনোযোগী হয়না।  আমার নিজের মতে খুব ভালভাবে কোড লেখা এক্সএমএল সাইটম্যাপ গুগলকে সহজে ক্রল করতে সাহায্য করে। গুগলের ক্রলিংকে আরো সহজ করার জন্য ভালভাবে যত্ন নিয়ে সাইটম্যাপ তৈরি করুন।

 seo-audit-checklist (1)

টেকনিক্যাল এনালাইসিস্:

একটি হাইলি অপ্টিমাইজড ওয়েব সাইট অবশ্যই টেকনিক্যালি ফিট হওয়া উচিত্। একটা সাইটের টেকনিক্যাল এনালাইসিসের জন্য যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে তা নিচে দেয়া হল​:
সার্ভার স্ট্যাটাস : অধিকাংশ ওয়েব সাইটেই সার্ভার এরর হ​য়ে থাকে। বিশেষ করে যেসব সাইট পিএইচপি এবং এএসপি এর মত ডায়্নামিক ল্যাংগুয়েজ দিয়ে ডেভেলপ করা সেখানে সার্ভার এরর দেখা যায়। তাছাড়া বিভিন্ন রকম স্ট্যাটাস কোড আছে যেমন ৪০৪, ৪১০, ৫০০,৩০১,৩০২।  যদি পেজে কোন সমস্যা না থাকে, তাহলে সকল পেজের স্ট্যাটাস ২০০ হবে। কিন্তু তা না হলে ওয়েব সাইটটি থেকে ৪xx এবং ৫xx এরর অবশ্যই রিমুভ করতে হবে।
পেইজ লোড লিমিট : টেকনিক্যাল লেভেল এসইও অডিটের জন্য পেইজ লোড টাইম অন্যতম একটা ফ্যাক্টর । তাই এসইও ফ্রেন্ডলি করতে  পেইজ লোড টাইম রিডিউস করতে হবে। যত তাড়াতাড়ি আপনার পেইজ লোড হবে আপনার র‌্যাংকিং ও তত ভাল হবে।
seo-audit-checklist

কনটেন্ট লেভেল এনালাইসিস :

সম্পূর্ণ এসইও ক্যামপেইনের জন্য কনটেন্ট খুবই ইম্পরটেন্ট একটা এসপ্যাক্টস। তাই প্রতিটিতে একটি করে চেকলিস্ট থাকা জরুরী।
ডুপলিকেট কন্টেন্ট : ওয়েব সাইটের প্রতিটি সিংগেল পেইজে ইউনিক কন্টেন্ট থাকা আবশ্যক। কন্টেন্ট টি কখনও ঐ সাইট বা অন্য কোনো সাইট থেকে কপি করা উচিত নয়। তাছাড়া ইউনিক কন্টেন্ট অথোরিটি ইনক্রিস করতে ও সার্চ ইঞ্জিনএ ভাল মানের ভিসিবিলিটি পেতে সাহায্য করবে। আর ওয়েব সাইটটিতে নিয়মিত ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট পর্যবেক্ষণ করতে আপনি SEO Moz  এর মত টুল ব্যবহার করতে পারেন।
হিডেন টেক্সট : হিডেন টেক্সট যাতে কখনও না ব্যবহার হয়, সেদিকে সতর্ক থাকা উচিত। কিন্তু একটি ওয়েবসাইটকে এসইও করার আগে আপনি যখন অডিট করবেন তখন সাইটটিতে কোন হিডেন টেক্সট আছে কিনা তা দেখতে হবে, আর তাই সাইটটির ডাবল চেক করা ভীষন জরুরী।
মিসিং টাইটেল এন্ড ডেসক্রিপশন: টাইটেল ও ডেসক্রিপশন নিয়ে কখনোও কম্প্রোমাইজ করা যাবেনা। একটা ওয়েবসাইটের জন্য অবশ্যই একটা ইউনিক টাইটেল থাকতে হবে এবং সাইটটির প্রতিটি পেইজে মেটা ডেসক্রিপশন থাকা জরুরী । গুগলের কাছে টাইটেল একটা গুরুত্তপুর্ন এসইও ফ্যাকটর, আর ডেসক্রিপশনটা অধিক ট্যানজিবল। তাই এসইও অডিট করতে হলে এই জিনিসগুলো প্রাইওরিটি লিস্টে থাকতে হবে।
ডুপ্লিকেট টাইটেল এন্ড মেটা ডেসক্রিপশন: ওয়েব সাইটে ডুপ্লিকেট টাইটেল এন্ড মেটা ডেসক্রিপশন থাকার কারনে এটির জন্য আপনার সকল র‌্যাংকিং গুলোতে নেগেটিভ ইমপেক্ট হবে। তাই বেটার পারফর্মের জন্য একটি ওয়েব সাইটে ইউনিক টাইটেল ও মেটা ডেসক্রিপশন থাকতে হবে।
ইমেজ ALT ট্যাগ: গুগলের অ্যালগারিদম ইমেজ সার্চ করে ইমেজের নাম, ALT টেক্সট পড়ে।
তাই প্রত্যক ইমেজেরই একটা ইউনিক নেইম থাকা এবং কীওয়ার্ডের উপর নির্ভর করে ইউনিক ALT  ট্যাগ রাখা উচিত।
লিংকস গোয়িং আউট : ওয়েবসাইটটির পেজের ভিতরে অন্য সাইটের লিংক বেশি থাকলে সেটি দূর করা উচিত। একটি সাইটে ৮-১০ টি অন্য সাইটের লিংক মানা যায়। এর বেশি থাকা সাইটের জন্য ভাল হবেনা।
মিসিং হেডিং ট্যাগ : হেডিং ট্যাগ এসইওর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই ওয়েবসাইটের কনটেন্টে হেডিং ট্যাগ (h1, h2, h3) ব্যবহার করা জরুরী।  একটি পেজে অবশ্যই ১টি h1 ট্যাগ থাকা উচিত।
অ্যাংকর  টেক্সট : গুগলের কাছে অ্যাংকর টেক্সট এর একটা সিগনিফিকেন্ট ভ্যালু আছে, তাই কোনো ওয়েবসাইটের ভ্যালু ডিটার্মাইন করতে এটা একটা অনন্য ফ্যাকটর ।
Mobile phones technology business concept, Creative network

সোশ্যাল এনালাইসিস :

সম্পূর্ণ একটা এসইও কনটেন্টে সোশ্যাল এনালাইসিসও প্র্য়োজনীয়্। যেমন,
শেয়ারিং বাটনঃ সকল ওয়েবসাইটে একটি শেয়ার বাটন থাকা জরুরী। এটা একটা  বড় ফ্যাক্টর। কিন্তু অনেক ওয়েবসাইটে এটিকে নেগলেক্ট করা হয় ।  ভিসিটরদের সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে পেজটি শেয়ার করতে উৎসাহী করার জন্য এ বাটন জরুরী।
অ্যানালাইটিক্স :
আপনার ওয়েবসাইটটি ব​ড় হোক কিংবা ছোট, ওয়েবসাইটটিতে গুগল এনালাইটিক্স সেট করা থাকতে হবে। গুগল এনালাইটিক্স এবং গুগল ওয়েবমাস্টার টুল ইনকামিং ট্র্যাফিকের একটা রেগুলার ট্র্যাক রাখে।
যদিও অডিটিং একটা কঠিন ও সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। কিন্তু এ চেকলিস্টটি তৈরি থাকলে পরিকল্পনামাফিক এসইও হবে। সফল হওয়ার সম্ভাবনা তখন বেড়ে যায়।
এ পোস্টসহ আমার আরো অনেক পোস্টগুলো খুজে পাবেন।

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

১০ টি এক বাক্যের কিলার এসইও টিপস

সব ব্লগার চায় নিজের ব্লগের ভিজিটর ধরে রাখতে। আর সেজন্য এসইও হচ্ছে প্রধান মাধ্যম। সার্স ইন্জিনে ভিজিবিলিটি বাড়ানো, কিওয়ার্ড রেঙ্কং, পেজ রেঙ্ক বাড়ানো এবং এলেক্সা রেঙ্ক কমানোর জন্য এসইও করা হয়। এসইও করার আরও একটি উদ্দেশ্য হল একটি বিশেষ জোন থেকে ভিজিটর আনা। আমি অতটা এসইও বিশেষঙ্গ না তবুও আপনাদের জন্য ১০ টি এক বাক্যের কিলার এসইও টিপস শেয়ার করলাম আশা করি কাজে লাগবে।১০ টি এক বাক্যের কিলার এসইও টিপস
১০ টি এক বাক্যের কিলার এসইও টিপস
১. কন্টেন্ট কপি মুক্ত কমপক্ষে ৫০০ ওয়ার্ড হতে হবে এবং রিলেটেড ইমেজ বা ভিডিও অবশ্যই থাকতে হবে।
২. টাইটেলে, ক্যাটাগরিতে, কন্টেন্টে, ইমেজ Alt তে আবশ্যই কিওয়ার্ড থাকতে হবে এবং কন্টেন্টের শুরুতে ও শেষে টাইটেল থাকতে হবে।
৩. লিঙ্ক বিল্ডিং এর সময় পরিমানের চাইতে গুনগত মানের দিকে জোর দিন।
৪. কন্টেন্ট এর শেষে আবশ্যই সোসাল শেয়ারিং বাটন রাখবেন কারন সোসাল শেয়ারিং রেঙ্কং এর সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত।
৫. অবশ্যই গুগল ওয়েব মাষ্টার টুল ইউস করে ব্রোকেন লিঙ্ক চেক করুন এবং সমাধান করুন।
৬. ইমেজ রিসাইজ, হোষ্টিং আপগ্রেড করে পেজ লোডিং টাইম কমিয়ে আনুন।
৭. গুগল প্লাস প্রোফাইল লিঙ্ক সব ব্লগে রাখুন যদি কন্টেন্ট চোরদের হাত থেকে রক্ষা পেতে চান।
৮. নিজে ব্যাক লিঙ্ক করতে পারলে করুন নতুবা লিঙ্ক বিল্ডিং বন্ধ রাখুন।
৯. নোফলো এবং ডুফলো উভয় প্রকার লিঙ্ক বিল্ডিং করুন এবং একটি সাইটে একটিই ব্যাক লিঙ্ক করুন।
১০. সোসাল মিডিয়া গুলেতে একটিভ হন এবং যত বেশি সম্ভব অন্যকে দিয়ে শেয়ার করান এবং নিজে করুন।
আজ এ পর্যন্তই। এখন সময় আপনার। ১০ টি এক বাক্যের কিলার এসইও টিপস সম্পর্কে কোন মতামত বা প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানান।

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

আর্টিকেল রাইটিংয়ের A to Z! ক্যারিয়ার হোক আর্টিকেল রাইটিংয়ে।

ক্যারিয়ার গড়ার অন্যতম সম্ভাবনাময় একটি ক্ষেত্র হচ্ছে লেখালেখি, যেটিকে আর্টিকেল রাইটিং বা কন্টেন্ট রাইটিং বলা হয়। যারা ইংরেজিতে ভালো এবং লেখালেখিতে পেষণ আছে তারাই রাইটার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। ওয়েবে বিভিন্ন উদ্দেশ্য কে সামনে নিয়ে আর্টিকেল লিখতে হয়। ব্লগ আর্টিকেল ছাড়াও প্রডাক্টের রিভিউ, সার্ভিসের সেলস পেজ, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য রিসোর্স বই, ব্রশিউর, লিফলেট বা অন্যান্য প্রচারণার কাজে রাইটারদের আর্টিকেল লিখতে হয়। রয়েছে বিশাল কাজের ক্ষেত্র।
ওডেস্ক ও ইল্যান্সের মত নাম করা ফ্রিল্যান্স মার্কেট প্লেস গুলোতে রয়েছে হাজার হাজার প্রজেক্ট। শুধু মাত্র ইল্যান্সে গত ৩০ দিনে লেখক চেয়ে জব পোস্ট হয়েছে ৯০,২৭৭ টি। এমনকি রাইটিংকে নিয়ে গড়ে উঠছে মার্কেটপ্লেসের সংখ্যাও নিছক কম নয়। যেমন
বাংলাদেশে এমন অনেক ফ্রিল্যান্স লেখক আছেন যারা ঘন্টায় ১০-১২ থেকে ৩০ ডলার আয় করে থাকেন।
আয় করার সুযোগ আছে নিজের ব্লগিং সাইটে ইনফরমেটিভ ব্লগ এবং অ্যাফিলিয়েট সাইটে প্রডাক্ট রিভিউ লিখে। এছাড়া দেশি-বিদেশি ইন্টারনেট মার্কেটিং অথবা কনটেন্ট মার্কেটিং প্রতিষ্ঠানেও ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা বেতনে চাকরিও করছেন অনেকে।
অনেকে ফ্রিল্যান্স রাইটিং কিংবা ব্লগিং পেশায় আসতে চান, কিন্তু সঠিক গাইড লাইনের অভাবে ভালো করতে পারছেন না। আমি চেষ্টা করি আমার নিজের মত করে আগ্রহিদের গাইড করতে। অনেকেই সফলও হয়েছে ইতিমধ্যে। আর্টিকেল রাইটিংয়ের কিছু টিপস নিয়ে আমার লেখাটি আশাকরি আপনাদের উপকারে আসবে।
freelance writing career
ইমেইজ ক্রেডিটঃ Edwardlangley

শুরু করতে চাচ্ছেন? যেভাবে শুরু করবেন!

শুরুর দিকে!

১। প্রথমে নিজে নিজেই বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত লিখে যান। এতে আপনার লেখালেখির দক্ষতা ও আত্নবিশ্বাস বাড়বে। শুরুতেই কি নিয়ে লিখবেন ভবছেন?
  • এমন বিষয় বাছাই করুন যা আপনি সবচেয়ে ভালো জানেন
  • আপনার মনে স্ট্রং ফিলিং কাজ করে সেই বিষয়কে গুরুত্ব দিন
  • পাঠক কোন কোন বিষয়ে পড়তে বেশি আগ্রহী সেসব নিয়েও লিখতে পারেন
মনে রাখতে হবে আর্টিকেল রাইটিং এবং ক্রিয়েশন দুইটা ভিন্ন ব্যপার। ক্রিয়েশনের জন্য চাই স্পেসিফিক বিষয়ে প্রচুর জানাশুনা, এক্সপেরিমেন্ট এবং অনেক দিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা, যেখানে আপনার নিজস্ব মতামত প্রতিষ্ঠা করতে হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, রিসার্স পেজ, স্টোরি শেয়ারিং ও কেসস্টাডি। কিন্তু আর্টিকেল রাইটিংয়ে বিভিন্ন জানাশুনাকে একুমুলেট করে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা তুলনা মূলক সহজ। শুরুতে আপনি হয়তো কোন বিষয়েই অভিজ্ঞতা উজার করে লিখতে পারবেন না। হতাশ হবেন না লিখে যান নিয়মিত।
২। মূলত ৭ ধরণের লিখার স্ট্রাকচার হতে পারে। আর এই জন্যই প্রথমেই আইডেন্টিফাই করতে হবে কোণ বিষয়ের জন্য কোন ধরনের স্ট্রাকচারে লিখতে হবে। নিচের লিংক থেকে আমার সংগৃহীত লেখাটি ডাউনলোড করে পড়ে নিন, লেখার ৭ স্ট্রাকচার ও কিভাবে লিখতে হবে সেই সম্পর্কে আপনার পরিপূর্ণ জ্ঞান চলে আসবে। copy
মনে রাখবেন প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিষয় বস্তু ও এপ্রোচ অনুযায়ী লেখার মান, কোয়ালিটি এবং স্ট্যাইল ভিন্ন ভিন্ন হয়। এছাড়াও ব্লগ আর্টিকেল, প্রডাক্ট রিভিউ, সেলস পেজ, রিসার্স পেজ, স্টোরি শেয়ারিং, ক্যাস স্টাডি’র জন্য লেখা কেমন হয় বা হতে হবে সেই বিষয়ে প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে। গুগলে সার্চ করে লেখা গুলো ফলো করুন। পাশাপাশি এই লিংকে আমি কিছু স্যাম্পল দিয়েছি দেখুন copy
৩। লেখালেখিতে নিজস্ব বাচন ও প্রকাশ ভঙ্গি তৈরি করুন, যা আপনাকে অন্যদের চেয়ে ভিন্ন এবং সহজেই বিশেষ করে তুলবে। বিখ্যাত আমেরিক্যান লেখক “Sandra Cisneros” এর এই উক্তিটি “Write about what make you different” মনে রাখবেন সব সময়।
৪। লেখার সময় গ্রামারের প্রতি এবং শব্দ ও বাক্য চয়নে বিশেষ নজর দিন।
৫। লেখালেখিতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ড্রাফটিং এবং রিভিশন। আপনাকে অবশ্যই লেখার শেষে লেখাটির প্রুফরিড করতে হবে।
৬। লেখালেখি কারার জন্য আপনাকে প্রচুর পড়তে হবে, বিভিন্ন বিষয়ে জানতে হবে। জানাশুনা ছাড়া লেখালেখি অসম্ভবই বটে। ভালো মানের লেখকদের বই এবং জনপ্রিয় ব্লগারদের বই নিয়মিত পড়ুন। তাদের লেখনী ফলো করতে করতে এক সময় আপনার নিজস্ব স্টাইল তৈরি হবে। যা আপনাকে সবার মাঝে ইউনিক করে তুলবে। আমি যেই ৬ টি ব্লগ/সাইট নিয়মিত ফলো করি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি...

আর দেরি কেন? প্রফেশনালি ই নামুন না!

১। কি লিখবেন?

লেখার আগে জানা চাই কেন লিখছেন, কাদের টার্গেট করে লিখছেন এবং তারা কি চায়। লেখার পাঠক কে সেটা নির্ণয় করুন। মনে রাখতে হবে লেখা যেন যুক্তিযুক্ত হয়। ওয়েবসাইট এবং বিষয় বস্তু অনুযায়ী ঠিক করে নিতে হয় লাইন অফ অ্যাকশন। আর প্রথমেই নিজের মনকে জিজ্ঞেস করুন আপনি এই বিষয়ের পাঠক হলে কি কি তথ্য পেতে চাইতেন এই লিখা থেকে। এক্ষেত্রে আমার পার্সোনাল মতামত হচ্ছে প্রথমে বিষয় ভিত্তিক WH question ডেভেলপ করা। কি বুঝলেন না তো? ধরুন আমাদের বিষয়, ইনস্যুরেন্স। তাহলে আমরা নিচের WH question গুলো ডেভেলপ করতে পারি।
  • ইনস্যুরেন্স কি?
  • কেন প্রয়োজন?
  • করার আগে কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে?
  • কারা প্রভাইডার আছে?
  • বেস্ট প্রভাইডার কে? কি সুবিধা দিবে?
  • কেমন প্রিমিয়াম দিতে হবে?
কারণ পাঠকের এই প্রশ্ন গুলো ই অজানা, ঐ বিষয় থেকে তথ্য গুলো সে জানতে চাচ্ছে।

২। কিভাবে লিখবেন

প্রথমেই লিখাটির টাইটেল লিখুন। আমি টাইটেল লিখার সময় কমপক্ষে ৪/৫ ভেরিয়েশন লিখি, তারপর সবচেয়ে আকর্ষনীয়টিকে বাছাই করি। টাইটেল আকর্ষনীয় হলে ইউজারের এঙ্গেজমেন্ট বাড়ে, টাইটেল দেখেই লেখাটি পড়তে আগ্রহি হয়ে যায়। আচ্ছা বলুন ত নিচের কোন টাইটেলটি আপনাকে বেশি আকৃষ্ট করে?
  • চুল পরার ৫ টি কারন!
  • যে ৫ টি ব্যপার না জানা থাকলে আপনার চুল পরে যেতে পারে!
  • যে সব কারনে চুল পরে যায়!
“যে ৫ টি ব্যপার না জানা থাকলে আপনার চুল পরে যেতে পারে!” এটা তাই না? হুম তুলনা মূলক ভাবে মানুষ এই টাইটেলটা দেখলেই বেশি আগ্রহী হবে। মনে আছে ত যে বেস্ট আইডিয়া তখনি পাওয়া যায় যখন অনেক আইডিয়া থাকে আপনার কাছে। সুতরাং টাইটেল ভেরিশন আনা জানতে হবে। এই নিন আমার সংগৃহীত ৮০+ টাইটেল সাজেশন  copy
এবার আপনাকে লিখতে হবে, লেখার আগে যা লিখতে চান, সেটার মূল পয়েন্টগুলো (অর্থাৎ প্রশ্ন গুলো) লিখে নেন। প্রশ্ন গুলোর বিষয়ে পরিপূর্ন জানাশোনা কিংবা অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো, অন্যথায় নির্দিষ্ট প্রশ্ন নিয়ে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে বিভিন্ন ব্লগ পড়ে (প্রতিটা প্রশ্নের জন্য মিনিমাম ৫ টি লেখা পড়ুন) কিংবা ফোরামে অংশ গ্রহণ করার মাধ্যমে জানা শুনা বাড়াতে হবে। বলতে পারে রীতিমতো গবেষণা করতে হবে। যে বিষয়ে লিখবেন সে বিষয়ে কোন ধারণা না থাকলে কখনোই ভালো লিখতে পারবেন না। তাই যে বিষয়ে লিখবেন সে বিষয়ের বিভিন্ন ফোরাম এবং ব্লগ ভিজিট করুন এবং পড়ুন, এতে আপনার ধারণা ক্লিয়ার হবে।
গবেষণার কাজ শেষ হলে, এবার লেখাটিকে তিনটি ধাপে সাজান। ভূমিকা, পোস্ট বডি এবং উপসংহার। পাঠক পুরো আর্টিকেলটিতে কি পেতে যাচ্ছে সেটা স্থান পাবেন ভুমিকায়। তারপর লেখার মুল অংশ অর্থাৎ পোস্ট বডি। এখানেই আমরা যেই WH question গুলো ডেভেলপ করে পয়েন্ট আকারে সাজিয়ে উত্তর লিখবো। আরেকটা বিষয় উপরে যেই ৭ স্ট্রাকচারে কথা বলেছিলাম, এখানেই ইম্পিমেন্ট করতে হবে। লেখার সময় নিচের ৩ টি পয়েন্ট অবশ্যই মাথায় রাখবেন।
  • নিজস্ব সৃজনশীলতায় তথ্যকে সমপূর্ণ করে লিখতে হবে পাশাপাশি লেখায় অবশ্যই প্রাঞ্জলতা থাকতে হবে এবং পাঠককে নতুন নতুন স্বাদ পাইয়ে দেয়ার চেষ্টা।
  • রাইটার হিসেবে আপনাকে মনে রাখতে হবে, যারা আপনার লেখা পড়বেন, তারা খুব চুজি সুতরাং তিনি চাইবেন কম সময়ে প্রয়োজনীয় জিনিস পড়তে। তাই সংগৃহীত তথ্যকে সংঘবদ্ধভাবে সাজিয়ে প্যারা করে লিখতে হবে।
  • আগেই বলেছি, রাইটার হতে গেলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে ভালো হতে হবে। ছোট, মাঝারি ও লম্বা বাক্য লিখতে ব্রিটিশ ও আমেরিকান শব্দ ব্যবহারেও হতে হবে সতর্ক, মিশ্রণ করা চলবে না। হবে। গ্রামার সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে সাথে প্রয়োজন শুদ্ধ বানান। এই ইনফোগ্রাফিকটি দেখুন যেখানে ১৫ টি ভুলের কথা বলা হয়েছে যা লেখার সময় অনেকই অনিচ্ছাকৃত ভাবেই করে ফেলে netdna.copyblogger
বিভিন্ন গ্রামার চেকার টুল আছে, সেগুলো দিয়ে গ্রামার চেক করাতে পারেন।
উপসংহারে আমরা পুরো বিষয়ের সামারি উল্লেখ করত পাঠককে উদ্বুদ্ধ করবো উপরে লিখত বিষয়ে। আপনার লেখার কাজ শেষ, এখন এটাকে গ্রামার চেকিং এবং স্পেল চেকিং এর মধ্যমে প্রুফরিড করুন। ভুল গুলো খুঁজে বের করে সংশোধন করে ফেলুন। অবাঞ্ছিত বাক্য ছেঁটে ফেলে দিন।
এছাড়াও আর্টিকেল রাইটিং এর সময় রাইটারকে সার্চ ইঞ্জিনগুলোর অনপেজ রিলেটেড বেশ কিছু ফ্যাক্টর ফলো করতে হয় যা সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে আর্টিকেল গুলোকে দ্রুত র‍্যাংক করতে সহায়ক হয়। তাই রাইটারকে আর্টিকেলটি লেখার সময় গুরুত্বের সাথে নিচের এসইও চেক লিস্টটি গুলো ফলো করতে হবেঃ
  • টাইটেলে টার্গেটেড কিওয়ার্ডের ব্যবহার
  • কিওয়ার্ড ডেনসিটি ফলো করে
  • কিওয়ার্ড স্টাফিং না করা
  • রিলেটেড রিসোর্সে লিংকিং
ভালো মানের আর্টিকেল লিখতে হলে একজন আর্টিকেল রাইটারের অবশ্যই গুরুত্বপূর্ন কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিৎ। বিষয়গুলো মনে রাখলে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করলে অবশ্যই আর্টিকেল রাইটার হিসেবে সফলতা পাওয়া সম্ভব।
এই ৯টি চেকলিস্ট অবশ্যই ফলো করবেনঃ
  • ওয়েব থেকে লিখা কপি করেছেন কি?
  • আপনি লিখার পূর্বে ভালোভাবে রিসার্স করেছেন কি?
  • আর্টিকেলটি কি ইউজারের চাহিদা মিটাবে?
  • আপনার লিখাটির তথ্যগুলো কি আপডেটেড?
  • আর্টিকেলটিতে কি গ্রামারটিকেল ইরর আছে?
  • আপনার লিখাটি কি ওয়েল ইডিটেড?
  • আর্টিকেলটি কি স্কেনএবল?
  • আপনার আর্টিকেলটি কি সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব?
  • লিখাটি কি ইউজার স্বইচ্ছায় শেয়ার করবে?
কখনোই এমনটি ভাববেন না যে আপনি কপি পেস্ট করে আর্টিকেল লিখবেন। বাজারে অনেক রিরাইট করা যায় এমন টুলস পাওয়া যায়, এগুলো ব্যবহারে কথা মাথা থেকে ঝেরে ফেলুন কেননা এরা ৪০% ক্ষেত্রেই হিউম্যান রিডএবল লেখা দিতে ব্যর্থ।
উপরের টিপসগুলো মাথায় রেখে চর্চা করুন, ইনশাআল্লাহ সফলতা আসবেই।
সকলেই ভালো থাকুন। হ্যাপি ফ্রিল্যান্সিং।

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

আর্টিকেল রাইটিং হতে পারে আপনার প্রিয় পেশা !

বর্তমানে আর্টিকেল রাইটিং একটি জনপ্রিয় পেশা । ভাল আর্টিকেল রাইটিং এর জন্য এখন অনেক মূল্য প্রদান করা হয় । আমাকে অনেকেই প্রশ্ন করেন যে ফ্রীলান্সিং এ কোন কাজটি সব চেয়ে সহজ এবং কোন কাজটি দারা তাড়াতাড়ি উপার্জন করা যায় ? এই প্রশ্নের জবাবে আমি বলতে চাই যে আর্টিকেল রাইটিং এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই উপার্জন করতে পারবেন । বিশেষ করে মেয়েদের জন্য এটি সব চেয়ে ভাল এবং সম্মান জনক । আর্টিকেল শুধু লিখলেই হবে না তার মধ্যে কিছু থাকতে হবে । আর্টিকেল লিখার সময় আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যে এখন কোন ধরনের আর্টিকেল সবচেয়ে জনপ্রিয় , কোন ধরনের আর্টিকেল লিখলে ভিজিটর টিকিয়ে রাখা সম্ভব, কোন ধরনের আর্টিকেল লিখলে তা সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি হবে ? এই সকল কিছু বিবেচনা করে আপনাকে আর্টিকেল লিখতে হবে । মূল কথা আপনাকে ইউনিক আর্টিকেল লিখতে হবে । ভিসিটরের কাছে যেন আর্টিকেল টি ভাল লাগে সেই দিক টাও বিবেচনা করে লিখতে হবে । আর্টিকেল রাইটিং করতে থাকা অবস্থায় আপনি আরও অন্যান্য কাজ গুলুও শিখে ফেলতে পারবেন ।

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

Saturday, June 21, 2014

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) এক্সপার্ট হতে হলে যা আপনাকে জানতে হবে

সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি আমাদের আজকের টিউনে। যেহেতু আজকের প্রসঙ্গ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কেন শিখব, কি লাভ হবে এটা শিখলে, এই বিষয়গুলো আলোচনা করার পূর্বে আমরা একটু জেনে নিই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও আসলে কি ?

এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন হল অনেকের মধ্যে একটি পদ্ধতি যা কোন সাইট এর সার্চ ইঞ্জিন এর অবস্থান নির্ধারণ করে। অর্থাৎ এটি একটি প্রচারনা মাধ্যম।প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর একটি নির্দিষ্ট অপটিমাজেশন প্রণালী আছে। প্রতিটি সার্চ ইজিন এর জন্য এই নিয়ম অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন। তবে সকলে কিছু জিনিস ব্যবহার করে যা সকল সার্চ ইঞ্জিনে বিদ্যমান।প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য প্রচারণা ব্যবস্থা প্রায় এক হলেও কিছুটা পার্থক্য আছে। আমাদের প্রয়োজনীয় বিষয় হচ্ছে সেই সমান দিক গুলোকে ব্যবহার করা।

কেন শিখবেন এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন?

ইন্টারনেট মার্কেটিং একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। যা কিনা সার্চ ইঞ্জিন (গুগল, বিং, ইয়াহু, এমএসএন ইত্যাদি) থেকে অর্গানিক ভিজিটর সাথে কোয়ালিটি ভিজিটর আনতে সাহায্য করে। যখন মানুষ সার্চ ইঞ্জিনে কোন কি-ওয়ার্ড দ্বারা সার্চ করবে, আর আলটিমেটলি সেই কি-ওয়ার্ডে আপনার সাইট র‍্যাঙ্কে থাকে তখন যে ব্যাপার টা হয়, সেটা আমি একটু ছক আকারে দেখালাম।
SEO Optimized -> Highly Visiable -> More Visitors
আর উপরের ছক থেকে আমরা জানি যে More Visitors -> More Money !
আর মানুষ এই কারনে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার জন্য পাগল। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানা থাকলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফ্রী ভিজিটর যেরকম আনা যায়, সেরকম গুগলকে প্রতি মাসে হাজারের উপর ডলার দেওয়া থেকে বেচে যাওয়া যায়। এক কথায় বলা যায় যে, কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ইনকাম করতে হলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আপনাকে শিখতেই হবে।
একটা উদাহরণ দেওয়া গেলে মনে হয় বেশি ক্লিয়ার হওয়া যেত। যদি আমরা গুগলে যেয়ে সার্চ করি “hotel in helsiniki finland” । তাহলে ২ ধরনের রেজাল্ট দেখতে পারবেন। একটা এসইও অপ্টিমাইজড এবং অপরটি পেইড। নিচে ছবিটাতে একটু লক্ষ্য করে দেখুন প্রথম ৩ টা পেইড রেজাল্ট। এই কী-ওয়ার্ডের সর্ব প্রথম রেজাল্টে আসার জন্য গুগলকে অর্থ প্রদান করতে হচ্ছে। কিন্তু এই ৩টির পর সাধারন সার্চ রেজাল্ট। যার কিনা গুগলকে কোন ধরনের অর্থ প্রদান করতে হচ্ছে না।

এখন হয়তো কেউ বলতে চাইবে “ এটা কিন্তু টপ লিস্টে নাই” ।
আপনার কথা ঠিক আছে। কিন্তু আপনি কি জানেন উপরের পেইড লিস্টে যদি আপনার আপনার ওয়েব সাইট থাকে তবে তার প্রতি ক্লিকের জন্য ১ ডলার করে পে করতে হবে! তো এখন আপনি কি ১ টা ক্লিকের জন্য ১ ডলার পে করতে প্রস্তুত না কি ১০০% ফ্রীতে নিতে প্রস্তুত ?
পেইড মার্কেটিং টা আসলে পছন্দের তালিকায় সবার থাকে না বললেই চলে। কিন্তু কোন না কোন কারনে করতে হয়। আর রিসার্চ করে দেখা যায় যে, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন না জানার ফলে তারা এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
এমনকি যখন কেউ চিন্তা করে যে, আমি একজন মার্কেটার দ্বারা আউটসোর্স করিয়ে নিয়ে কাজ করাব। আমি কি জন্য মার্কেটিং শিখতে যাব? কিন্তু সিদ্ধান্ত এখানেই ভুল !! কারন একজন ভালো মানের মার্কেটাররা বসে থাকে না। তারা কোন না কোন কাজের সাথে যুক্ত থাকে। তখন সে যাকে দিয়ে আউটসোর্স করানোর চিন্তা করে তখন দেখা যায় সে আসলে একজন দক্ষ মার্কেটার না। ফলশ্রুতিতে তাকে পড়তে হয় একটা খারাপ অবস্থাতে। হতে পারে আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিন থেকে পেনাল্টি খেয়েছে বা আপনার সাইট নিয়ে সে স্প্যাম করেছে।
তবে আমরা কোনভাবে বলছি না যে আপনি আউটসোর্স করাবেন না। হ্যাঁ আপনি আউটসোর্স করাবেন, কিন্তু তার জন্য আপনার থাকা চায় সার্চ ইঞ্জিনের উপর যথার্ত জ্ঞান। এতে করে আপনি নিজে আপনার সাইটের মার্কেটিং প্ল্যান নিজের মত সাজাতে পারবেন। আর যখন আপনি প্ল্যান রেডি করবেন তখন ছোট ছোট কাজগুলোকে ভাগ করে নিয়ে আউটসোর্স করাবেন। এতে আপনার টাকা এবং সময় অনেক বেচে যাবে এবং সেই সাথে সাইটের র‍্যাঙ্ক বাড়বে।
মুল কথা আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখেন তবে আপনার জন্য যে কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন অনলাইন আয়ের জগতে। একটা প্রোডাক্ট তৈরি করা থেকে একটা প্রোডাক্ট মার্কেট পাওয়া অনেক কষ্ট। আর আপনি যখন সেই কঠিন কাজটা নিজের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন তখনি আপনি অনলাইন আয়ের জগতে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে পারবেন।
পেছনের বছরের সাথে বর্তমানকে একটু তুলনা করে দেখুন তো। তুলনা করে দেখুন তো প্রযুক্তি কতটুকু এগিয়েছে? কিন্তু আমরা আসলে এটা দ্বারা বা এই প্রযুক্তি দ্বারা কি বোঝাতে চাচ্ছি। শুধু কি ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানগুলো অসাধারন জিনিস বের করতেছে বা মানুষ এই মহাকাশ থেকে ওই মহাকাশে যাচ্ছে, এটা কে বোঝাতে চাচ্ছি। না এই ধারনাটা একদম ভুল ।
প্রযুক্তি এই সবগুলো সাথে নিয়ে অনলাইন থেকে প্রোডাক্ট বিক্রি, প্রোডাক্ট কেনা, প্রোডাক্টের মার্কেটিং করা। এক কথায় সাধারন জীবন-যাপন যেভাবে চলে সেভাবে চলবে অনলাইনে। আর সেটাকে প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা বলা হচ্ছে। অনলাইন জগত কে আপনি একটা আয়ের প্ল্যাটফর্ম বলতে পারবেন।
তো মুল কথা তে ফিরে যায়। দেখে নিই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখলে কিভাবে লাভবান হবেন।
  • ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে।
  • আরওআই বা আপনার বিনিয়োগ ফিরে পাবেন (ROI=Return on Investment)
  • প্রচুর পরিমাণ বিনিয়োগ বাঁচাতে পারবেন।
  • খুব কম বিনিয়োগে নিজের কোম্পানি বা ব্র্যান্ড কে প্রচার করাতে পারবেন।
  • ওয়েবসাইট বিশ্বাসস্থাপন সৃষ্টি করতে পারবেন।
একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার পারেন একটা ব্র্যান্ডকে সবার সামনে সুন্দরভাবে উপস্থাপনা করতে।যখন কোন প্রোডাক্টে সার্চ রেজাল্টে উপরের পজিশনে কারর ওয়েবসাইট থাকে তখন সবাই সেটাকে বিশ্বাস করে। কারন মানুষ গুগলকে বিশ্বাস করে। যার কারনে সবার ভিতর একটা বিশ্বাস আসে ওয়েবসাইটের উপর।  যার ফলে ওয়েব সাইট এর ট্রাষ্ট অথোরিটি টা বেড়ে যায়। এর ফলে প্রোডাক্ট বিক্রি বেড়ে যাবে। এই জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখা যেকারোর জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিভাবে সিলেক্ট করবেন কোথায় শিখবেন ? কিভাবে শিখবেন ? এই সব বিষয় নিয়ে পূর্বে লিখেছি। আপনারা সেটা পড়ে আসতে পারেন।
এখন কথা হলো আসলে কি শিখবেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এ এক্সপার্ট হবার এর জন্য? নিচে কিছু জিনিস আমি পয়েন্টআউট করে দেখানো হলো আপনাদের জন্যঃ

কিভাবে সাইটকে পেনাল্টির হাত থেকে বাঁচাতে হয়

সর্ব প্রথম জানতে হবে কিভাবে একটা সাইটকে প্রটেক্ট করতে হয়। আমরা মানুষ তাই সর্বদা সস্তা খুঁজি। কিন্তু আমরা হইত জানিনা এই চিপের ভিতর সবথেকে বেশি ধান্দাবাজি থাকে। যখন আপনি আপনার ওয়েবসাইট কোন সস্তা এসইও সার্ভিস কোম্পানির কাছে দিবেন তখন তারা আপনি যেরকম সস্তা দামে সার্ভিস দিতে চাইবেন সেইরকম সস্তা কাজ ও করে দেবে। তাদের টার্গেট থাকবে আপনার লক্ষ্য টা কে পুরন করে দেওয়া সেটা যেভাবে সম্ভব। কিন্তু এটাই সবথেকে বড় সমস্যা। কারন তারা রুলস না মেনে কাজ করবে। আর বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিন অনেক কড়াকড়ি রুলসের ভিতর চলে। সুতরাং সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনি যেকোনো মুহূর্তে পেনাল্টি খেতে পারেন। আর যেটা আপনি কখন ন্যাচারাল চোখ দ্বারা দেখতে পারবেন না। কিন্তু আপনার সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পড়ে সেটা উপলব্ধি করতে পারবেন। এই জন্য সাইট কে কিভাবে প্রটেক্ট রাখা যায় সেটা জানা শিখতে হবে। তাহলে আপনি কাজের রিপোর্ট নিয়ে তার সাথে রেজাল্ট নিয়ে কম্পেয়ার করতে পারবেন।

ব্যাক্তিগতভাবে সাইট ট্যাকেল দেওয়ার ক্ষমতা

এখন সস্তা বাদ দিয়ে আপনি হোয়াইট হ্যাট এসইও সার্ভিস কোম্পানি থেকে সার্ভিস নিলেন। কিন্তু তাতেই কি আপনার কাজ শেষ হয়ে গেল। তাদেরকে কাজ বুঝিয়ে দিয়ে পেমেন্ট করে আপনি কি বাসাই বসে ঘুম দিবেন বলে চিন্তা করছেন? যদি চিন্তা করে থাকেন তো তবে এবার একটু জেগে উঠুন ? বাসাই এসে আপনার কর্তব্য বর্তমান এলগোরিদম কি ? এসইও কোন দিক থেকে কাজ করতেছে ? এসইও কি আদৌ আসলে কাজ করতেছে সাইট পজিশনে আনার জন্য ? আপনাকে এইসব বিষয় খুজে খুজে বের করতে হবে।

পারফেক্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট তৈরি

যখন আপনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখবেন, তখন আপনার ভিতর একটা মেন্টালিটি সেটআপ হবে, আপনি নিজে একটা সুন্দর কিছু করার চেষ্টা করবেন। ধরলাম আপনি কোন এজেন্সিকে আপনার কাজটা না দিয়ে নিজে করবেন। কিন্তু যদি নিশ সিলেকশন হাই হয়। সেক্ষেত্রে আপনাকে ভালো একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট এর প্রয়োজন হবে। তখন আপনি তাকে আপনার টার্গেট, তার কাজ সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিতে পারবেন। এছাড়া আপনি পারফেক্টভাবে তাকে তদারকি করতে পারবেন। সে কোন ধরনের সমস্যার অন্তর্ভুক্ত হলে আপনি তাকে সেখান থেকে মুক্ত পারবেন।
ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন। আর কোন ধরনের গাইডলাইন প্রয়োজন হলে কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় ওয়েবকোড সর্বদা পাশে আছে।

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

গুগল সার্চের রেজাল্টগুলো নতুন ট্যাব এ ওপেন করুন মাত্র ১ ক্লিকে!

আমরা সবাই গুগল সার্চ করি। মাঝে মাঝে গুগলে কিছু খুঁজতে গেলে সার্চ রেজাল্টের প্রথম বা দ্বিতীয় ওয়েবসাইটে না পেলে এর পরের সাইটগুলোতেও ভিজিট করতে হয়। কিন্তু আপনি যদি সার্চ পেইজ থেকে উক্ত ওয়েবসাইটে সরাসরি মাউসের বাম বাটন টি ক্লিক করে যেতে চান, তবে সার্চ পেইজটি চলে গিয়ে ওই ট্যাবেই উক্ত ওয়েবসাইটটি দৃশ্যমান হবে। আবার যদি মাউসের ডান বাটনটি ক্লিক করে মেনু আসার পরে OPEN LINK IN NEW TAB করেন, তাহলে একটি অতিরিক্ত ক্লিক বেশি খরচ হবে আপনার।
আমি আপনাদের এখন সেই উপায়টি বলব, যার মাধ্যমে আপনি মাত্র ১ টি বাম বাটনের ক্লিকেই গুগল সার্চের যেকোনো লিংক নতুন ট্যাবে ওপেন করতে পারবেন। চলুন তাহলে জেনে নিই এই সহজ উপায়টিঃ

কার্যপ্রণালীঃ

১। প্রথমেই আপনি গুগল সার্চ করুন একটি বিষয়ে। উদাহরণঃ আমি আমার ওয়েবসাইট এ যাবার জন্য সার্চ করেছিঃ SUJONHERA
এতে আমি সার্চ রেজাল্টে ওয়েবসাইটটি পেয়েছি। ছবিতে দেখানো হয়েছে, উক্ত লিংকে কীভাবে মাউসের ডান বাটন চেপে আসা মেনু থেকে OPEN LINK IN NEW TAB এ যাওয়া যায়। তবে আমরা আর আজ থেকে এটা করব না। কারণ, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা জেনে যাব, কীভাবে মাত্র ১ ক্লিকে নতুন ট্যাবে লিংক ওপেন করা যায়।
HOW TO OPEN GOOGLE SEARCH RESULTS IN NEW TAB
২। এবার আপনি গুগলের সার্চ রেজাল্ট পেইজের নিচের দিকে ডান কোনায় এরকম একটি SETTINGS লিংক দেখতে পাবেন। সেটায় ক্লিক করুন।
HOW TO OPEN GOOGLE SEARCH RESULTS IN NEW TAB
৩। নতুন একটি মেনু আসবে। দেখতে ঠিক এরকম। এ থেকে SEARCH SETTINGS লিংকে ক্লিক করুনঃ
HOW TO OPEN GOOGLE SEARCH RESULTS IN NEW TAB
৪। এবার নতুন একটি পাতা আসবে। দেখতে এরকম।

৫। এবার স্ক্রল করে এই পাতার নিচে আসুন। এরকম দেখবেন।

৬। উপরের ছবিতে দেখানো বক্সে একটি ক্লিক করে টিক চিহ্ন বসিয়ে দিন। এবার দেখতে এরকম হবে। সবশেষে SAVE বাটন এ ক্লিক করুন।

ব্যাস! কাজ শেষ। একটি নতুন নটিফিকেশান পাবেন এরকম।

এখন নতুন করে কিছু লিখে গুগল সার্চ করুন। তারপরে নিশ্চিন্তে যেকোনো সার্চ রেজাল্টে মাউসের বাম বাটন দিয়ে ক্লিক করুন। দেখবেন, নতুন ট্যাবে ওপেন হচ্ছে লিংক।
সবাইকে ধন্যবাদ।

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

© 2013 আলোর সন্ধানে. All rights resevered. Designed by Templateism