AD (728x90)

Powered by Blogger.

Search Of Light

Search Of Light
  • 2793 Pine St

    অনলাইনে আয় করুন

    আমরা নিয়মিত যারা পত্র পত্রিকা পড়ে থাকি বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি তারা অনেকেই জানি যে অনলাইনে কাজ করে বর্তমানে অর্থ উপার্জনের জন্য রয়েছে অসংখ্য উপায়। যেমন নিজের ওয়েব সাইটে গুগলের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে আয়, ফ্রিল্যান্সিং, ইকমার্স, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদির মাধ্যমে আয়। কিন্তু আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে অনলাইলে আয়...

  • 1100 Broderick St

    প্রটেক্ট করুন আপনার কম্পিউটার এর USB ডিভাইস গুলো

    Disk Security 100% সুরক্ষা প্রদান করবে আপনার USB ড্রাইভ। অনেক সময় আমাদের ব্যবহৃত পেনড্রাইভগুলোতে ভাইরাস থাকে.......... সেগুলোর জন্য আমরা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করি, কিন্তু এন্টিভাইরাস সবসময় আপডেট দিতে হয়......

  • 868 Turk St

    সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)

    এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি? সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন হল অনেকের মধ্যে একটি পদ্ধতি যা কোন সাইট এর সার্চ ইঞ্জিন এর অবস্থান নির্ধারণ করে। অর্থাৎ এটি একটি প্রচারনা মাধ্যম।প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর একটি নির্দিষ্ট অপটিমাজেশন প্রণালী আছে। প্রতিটি সার্চ ইজিন এর জন্য এই নিয়ম অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন। তবে সকলে কিছু জিনিস ব্যবহার করে যা সকল সার্চ ইঞ্জিনে বিদ্যমান।প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য প্রচারণা ব্যবস্থা প্রায় এক হলেও কিছুটা পার্থক্য আছে। আমাদের প্রয়োজনীয় বিষয় হচ্ছে সেই সমান দিক গুলোকে ব্যবহার করা।

  • 420 Fell St

    ত্বকের যত্ন

    সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা কত বেস্ত থাকি। এর মধ্য নিজের ত্বকের দিকে খেয়াল নেওয়ার সময় ই হয়ে ওঠে না। সত বেস্ততার মধ্যেও হলেও আমাদের একটু ত্বকের যত্ন নিতে হবে। আশুন জেনে নেই কিভাবে ত্বকের যত্ন নিতে হবে। ঘুম থেকে উঠে শসার রস, বা গোলাপ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। শুধু রোদের সময় নয় বৃষ্টির দিনেও সানব্লাক ক্রিম ব্যবহার করুন। সানব্লাক ক্রিম রোদ থেকে ৩ ঘণ্টা রক্ষা করে।...

Feature Top (Full Width)

Showing posts with label ব্লগিং. Show all posts
Showing posts with label ব্লগিং. Show all posts

Wednesday, September 3, 2014

আপনার মূল্যবান ত্বকের যত্ন নিন আর ত্বক কে করে তুলুন অসম্ভব সুন্দর


সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা কত বেস্ত থাকি। এর মধ্য নিজের ত্বকের দিকে খেয়াল নেওয়ার সময় ই হয়ে ওঠে না। সত বেস্ততার মধ্যেও হলেও আমাদের একটু ত্বকের যত্ন নিতে হবে।
আশুন জেনে নেই কিভাবে ত্বকের যত্ন নিতে হবে।
  • ঘুম থেকে উঠে শসার রস, বা গোলাপ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
  • শুধু রোদের সময় নয় বৃষ্টির দিনেও সানব্লাক ক্রিম ব্যবহার করুন।
  • সানব্লাক ক্রিম রোদ থেকে ৩ ঘণ্টা রক্ষা করে।
  • দিনের মধ্যে বেশ কয়েকবার পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে নিন।
  • ফুল হাতা পোশাক পরুন।
  • মধু, ডিমের সাদা অংশ, লেবুর রস, মেখে মুখে দিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। 
 এছারা আমাদের প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে। 
আজ তাহলে এই পর্যন্তই , , , 

** আমাদের পোস্ট গুলো যদি আপনাদের ভাল লেগে থাকে তাহলে আপনার একটি মূল্যবান লাইক করুন সাথে থাকুন আমাদের **


                      *****সবাইকে আলোর সন্ধানের পক্ষ  থেকে ধন্যবাদ******


Tuesday, August 5, 2014

ব্লগিং করে আয়ের উপায় সম্পর্কে জানুন এখানে

আসসালামু আলাইকুম। পরম করুণাময় এবং অতিশয় দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে শুরু করছি। অনলাইনে আয়ের রয়েছে হাজার উপায়। কিন্তু তার মধ্যে একটি হল ব্লগিং করে আয়। ব্লগিং বলতে আমরা বুঝি কোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি যা থেকে আয় করা যায়। আসলে ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে আয় করা সম্ভব। এর মধে র‍্যেছে গুগল এডসেন্স। গুগল কে তা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না, আর এই গুগল এর একটি প্রোডাক্ট হচ্ছে গুগল এডসেন্স। তাছাড়াও ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে আপনি বিভিন্ন ভাবে আয় করতে পারেন। নিচে আপনি নতুন অবস্থায় যে যে উপায়ে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে আয় করতে পারেন তার বিবরণ দেয়া হল-



১. গুগল এডসেন্স থেকেঃ গুগল এডসেন্স দিয়ে আয় করতে হলে আপনাদের অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। সিস্টেমটা হচ্ছে আপনাকে প্রথমে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ বানাতে হবে। তারপর এতে ভিজিটর  আনতে হবে। ভিজিটর আসা শুরু করলে আপনার সাইটে আপনি গুগল এর কাছে বিজ্ঞাপনের জন্য আবেদন করতে হবে। সাইট্টি যদি ভাল মানের হয় তাহলে গুগল আপনার সাইটে তাদের বিজ্ঞাপন দেয়ার অনুমতি দিবে। অনুমতি পেলেই আপনি আপনার সাইটে গুগল এডসেন্স থেকে বিজ্ঞাপন পেয়ে যাবেন যা আপনাকে আপানার সাইটে বসিয়ে দিতে হবে। পরে আপনার কোন ভিজিটর ঐ বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে গুগল আপনাকে টাকা দিবে। এই হল এডসেন্স এর পুরো সিস্টেম।

২. পণ্য বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনি আপনার ব্লগের মাধ্যমে আপনার বা আপনার কোম্পানির পণ্য বিক্রি করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার আয় হবে আপনার সেলের উপর নির্ভরশীল। আপনার যত বেশি সেল হবে আপনি তত আয় করতে পারবেন। তবে ব্লগের একটি বিশেষ সুবিধা হল কোন পন্য সম্পর্কে আপনার বিভিন্ন জনের কাছে একই কথা বার বার বলতে হবে না। একবার সাইটে লিখে দিলেই যথেষ্ট। এইভাবে পণ্য বিক্রি করেও আপনি আয় করতে পারেন।

৩. এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ এটিও অনেকেটা পণ্য বিক্রির প্রসেস। এক্ষেত্রে আপনি অনলাইন থেকেই বিভিন্ন পণ্য পাবেন এবং সেই পন্যের বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে দিতে হবে। কেউ যদি অনালাইনে অর্ডার করে সেই পণ্য কিনে তাহলে আপনি সেখান থেকে কিছু কমিশন পাবেন। কিছু কিছু কোম্পানি আছে যারা ৫০% কমিশন ও দিয়ে থাকে। কাজেই আপনি এই এফিলিয়েট মার্কেটিং করেও আয় করতে পারেন।



উপরে ব্লগিং করে বা ওয়েবসাইট দিয়ে আপনি কিভাবে আয় করতে পারেন তার কিছু ছোটখাট বর্ণনা দেয়া হয়েছে। তবে ওয়েবসাইট থেকে সবচেয়ে ভাল পরিমাণ আয় করা সম্ভব গুগল এডসেন্স দিয়ে। তার জন্য চাই ভাল মানের ওয়েবসাইট। আপনি চাইলে ফ্রী ব্লগ দিয়েও ট্রাই করে দেখতে পারেন। তবে বাংলাদেশ থেকে ফ্রী ব্লগে গুগল এডসেন্সের অনুমতি দেয় না। কাজেই আমার মতে ওয়েবসাইট তৈরি করাই ভাল। কারন জানেন ই তো, ফ্রী জিনিস আর কতই বা ভাল হবে? তবে গুগল এর ফ্রী ব্লগ কিন্তু অনেক ভাল বাট গুগল বাংলাদেশে ফ্রী ব্লগে অনুমতি প্রায় দেয় না বললেই চলে। কাজেই ওয়েবসাইট তৈরি করে এডসেন্স এর জন্য আবেদন করাই উত্তম।

Sunday, July 13, 2014

ঝামেলার দিন এবার বুঝি শেষ!!! জাস্ট একটা ক্লিক আর একসেপ্ট করুন আপনার সকল ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট!!

হ্যালো Every One কেমন আছেন সবাই। 

এখন আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে একসাথে আপনার ফেসবুক সকল ফ্রেন্ডদের রিকুয়েস্ট একসেপ্ট করবেন এক ক্লিকে ☺☺

১। প্রথমে আপনার ফেসবুক এক্যাউন্টে লগিন করুন।
২।এখন  ফেসবুক ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পেজে যানঃ https://www.facebook.com/friends/requests/
৩।এখন See More এ ক্লিক করে সব ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট ওপেন করুন এবং লিস্টের শেষ পর্যন্ত যান।


var inputs = document.getElementsByClassName('_42ft _4jy0 _4jy3 _4jy1 selected'); for(var i=0; i<inputs.length;i++) { inputs[i].click(); }


৪।আপনার ব্রাউজার অনুযায়ী সিলেক্ট করুনঃ-
গুগল ক্রোম ব্যবহার করলে:

৫. Press (CTRL+Shift+J)
৬. Paste the code into the box at the bottom and press enter (next to the blue ">"), কমপ্লিট হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন তারপর কলোজ করে দিন।
ফায়ারফক্স হলে:

৫. Press (CTRL+Shift+K)
৬. Paste the code into the box at the bottom and press enter (next to the blue ">>"), কমপ্লিট হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন তারপর কলোজ করে দিন।
সাফারি হলে:

5.  Preferences থেকে - Advanced - check "Show Develop menu in menu bar" and close the preferences window.
6. Go to Develop - Show Error Console (or Command O +ption + C)
5. Paste the code into the box at the bottom and press enter (next to the blue ">").
Internet Explorer হলে:

5. Press F12 on your keyboard
6. Click the "Console" tab
7. Paste the code into the box at the bottom and press enter.
8. For large friends list, this may utilize all your resources and will cause the page to freeze and be unresponsive. Just wait a few minutes until all the names get selected.



** আমাদের পোস্ট গুলো যদি আপনাদের ভাল লেগে থাকে তাহলে আপনার একটি মূল্যবান লাইক করুন সাথে থাকুন আমাদের **





          *****সবাইকে আলোর সন্ধানের পক্ষ  থেকে ধন্যবাদ******  

Saturday, July 12, 2014

মাউসের পরিবর্তে আসছে নতুন একটি যন্ত্র জীবন আর সহজ (২০১৪)

মাউসের পরিবর্তে ব্যবহার হবে ক্ষুদ্র একটি আঙ্গুলের ডগাই বসানো যন্ত্র ।
সেলাই করার জন্য আঙুলের মাথায় যে টোপর বা আংটি ব্যবহার করা হয় সেরকম ভাবে এই যন্ত্রটি ব্যবহার করে ভারচুয়াল জগতের ত্রিমাত্রিক বিষয়গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।


যুক্তরাষ্ট্রের ইয়মিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আন নুয়েন ও অ্যামি বানিক তৈরি করেছেন আংটি সদৃশ বুদ্ধিমান এই যন্ত্রটি যা ত্রিমাত্রিক জগতে নিজের অবস্থান সঠিকভাবে বুঝতে পারে এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম জেশ্চারে সাড়া দেয়।

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) রিভিউ অনুযায়ী, নুয়েন ও অ্যামির লক্ষ্য হচ্ছে সাশ্রয়ী খরচে কম্পিউটিং যন্ত্রের জন্য ইউনিভার্সাল ইনপুট যন্ত্র তৈরি করা। এই যন্ত্রটির আকার খুব ছোট ও সহজে পরিবহনযোগ্য করার উদ্দেশ্য তাঁদের।

গবেষকেদের তৈরি বর্তমান থ্রিডি টাচ যন্ত্রটি আঙুলের ডগায় বসানো যায়। এতে রয়েছে থ্রিডি অ্যাকসিলরোমিটার, ম্যাগনেটোমিটার, জিইরোস্কোপ। এই থ্রিডি টাচ যন্ত্রটিতে রয়েছে অপটিক্যাল ফ্লো সেন্সর যা সাধারণ মাউসের মতোই দ্বিমাত্রিক পৃষ্ঠের ওপর যন্ত্রটির নড়াচড়া পরিমাপ করতে পারে। গবেষকেরা বলেন, বর্তমানে একটি কন্ট্রোলারের ওপর বিভিন্ন সেন্সরের তার যুক্ত করে থ্রিডি টাচ যন্ত্রটি তৈরি করা হয়েছে। পরে এই যন্ত্রটিকে তারবিহীন করা যাবে।



** আমাদের পোস্ট গুলো যদি আপনাদের ভাল লেগে থাকে তাহলে আপনার একটি মূল্যবান লাইক করুন সাথে থাকুন আমাদের **


                      *****সবাইকে আলোর সন্ধানের পক্ষ  থেকে ধন্যবাদ******  
 

 

Wednesday, July 9, 2014

পেনড্রাইভের ফোল্ডার Short Cut হয়ে গেছে দেখে নিন সহজ সমাধান (১০০% কার্যকারী টিপস)

আশা করি সবাই ভাল আসেন। রমজান মাসে টিপস লিখতে অনেক কষ্ট হয়। তবুও আপনাদের জন্য একটা টিপস বানিয়ে ফেলাম। কিছু দিন আগে আমি একটা সমস্যায় পরি সমস্যাটা হল আমার পিসিতে অন্য Pen drive ডুকালে Short Cut হয়ে যাই সব ফোল্ডার। সুদু Pen drive এ না, অন্য USB কিছু পিসিতে ডুকালে Short Cut হয়ে যাই সব ফোল্ডার। তারপর কিছু বন্ধু দেখলাম এই রকম সমস্যায় পরেছে। তারা সমস্যার সমাধান না পেয়ে পিসিতে নতুন করে উইন্ডোজ দিয়েছে। তবে আমি ভাবলাম উইন্ডোজ না দিয়েই কি ভাবে Short Cut Malware গুলি রিমুভ করা যাই।

তাই Google Search দিয়ে অনেক টিপস দেখলাম, তারপর পেয়ে গেলাম একটা সফটওয়্যার। সফটওয়্যার ব্যাবহার করে দেখলাম Short Cut Malware সহজে রিমুভ করা যাচ্ছে। তাই এই সফটওয়্যারটা আপনাদের মাজে আজ শেয়ার করলাম। যাতে আপনারা খুব সহজে Short Cut Malware রিমুভ করতে পারেন।

আমি জানি আপনারা অনেক এ আসেন এই সমস্যায় পড়েছেন কাউ সমাধান পেয়েছেন এবার কেউ পান নি। যারা জানেন না তাদের জন্য আমার এই টিপস। র কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখা যাক সফটওয়্যার কি? সফটওয়্যার টির নাম হলঃ UsbFix. নিচে কিছু বৈশিষ্ট্য দেখে নিন,


বৈশিষ্ট্যঃ

    আপনি খুব সহজে সফটওয়্যারটি ব্যাবহার করতে পারবেন। কারন সফটওয়্যার টি ইন্সটল করার দরকার নাই পোর্টেবল ভার্সন।

  •    যে USB/Pendrive বা অন্য কিছু Short Cut হয়ে গেছে, সুদু আপনি আপনার পিসি তা USB/Pendrive লাগান এবং UsbFix সফটওয়্যার তা দিয়ে SCan দিলেই দেখবেন Short Cut সব

  • রিমুভ হয়ে গেসে এবং আপনি আগার মত ফোল্ডার পেয়ে গেছেন।

        UsbFix সফটওয়্যারটি দিয়ে Scan করার পর আপনার পিসিতে ব্যাকআপ হিসাবে একটা Text দেবে।


এর অনেক সুবিধা আসে কিন্তু র লিখতে ভাল লাগসে না, সফটওয়্যারটি ব্যাবহার করলেই আপনারা বুজতে পারবেন। কি কি সুবিধা। তাহলে র দেরি না করে এখনি ডাউনলোড করে নিন সফটওয়্যারটি এবং খুব সহজে আপনার পিসি থেকে Short Cut অ্যান্টিভাইরাস রিমুভ করে ফেলুন।
UsbFix সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

** আমাদের পোস্ট গুলো যদি আপনাদের ভাল লেগে থাকে তাহলে আপনার একটি মূল্যবান লাইক করুন সাথে থাকুন আমাদের **


                      *****সবাইকে আলোর সন্ধানের পক্ষ  থেকে ধন্যবাদ******  
 

KM Player থেকে পুরোপুরিভাবে KMP Box রিমুভ করুন আর ঝামেলাহীনভাবে ভিডিও দেখুন

KM Player একটি বহুল ব্যবহৃত মিডিয়া প্লেয়ার। এই প্লেয়ারের নতুন সংস্করণে KMP Box নামে একটি অপশন যুক্ত করা হয়েছে যা আমাদের ইন্টারনেট ডাটা ব্যবহার করে বিজ্ঞাপণসহ নানারকম ভিডিও প্রদর্শণ করে।

প্লেয়ার ওপেন করার সাথে সাথে এই অপশনটি চালু হয়ে যায় এবং আমাদের মূল্যবান ডাটা ইউজ করে।

অনেকেই এটি ব্যবহার করেন আবার অনেক ইউজারই এটিকে ঝামেলা হিসেবে দেখেন।

প্লেয়ারটিতে KM Box সাময়িকভাবে বন্ধ কিংবা চালু করার অপশন রাখা হলেও পুরোপুরিভাবে বন্ধ রাখার কোনো অপশন রাখা হয়নি।

কিন্তু ছোট্ট একটি পদ্ধতি অনুসরণ করে এটিকে পুরোপুরি বন্ধ করা যায়।


আসুন দেখি কিভাবে প্লেয়ারটি থেকে KMP Box   পুরোপুরিভাবে রিমুভ করবেন...
  • প্রথমে Internet Explorer  ওপেন করুন 
  • Settings এ ক্লিক করুন
  • Internet Options  এ ক্লিক করুন
  • নতুন Window থেকে Security তে ক্লিক করুন
  • এবার Restricted Sites এ ক্লিক করুন এবং এর পরে Sites এ ক্লিক করুন
  • নিচে একটি ফাঁকা বক্স দেখতে পাবেন
  • সেখানে player.kmpmedia.net প্রবেশ করুন।
  • এবার Add বাটনে ক্লিক করে আপনার কাজ শেষ করুন
  • সকল Window ক্লোজ করে এবার KMPlayer ওপেন করুন, লক্ষ্য করুন এবার আর KM BOX আসছে না।
নিচের লিংকে ক্লিক করে ইউটিউবে ভিডিও টিউটোরিয়ালটি দেখতে পারেন, তাহলে আর বুঝতে সমস্যা হবেনা আশা করি।



** আমাদের পোস্ট গুলো যদি আপনাদের ভাল লেগে থাকে তাহলে আপনার একটি মূল্যবান লাইক করুন সাথে থাকুন আমাদের **


                      *****সবাইকে আলোর সন্ধানের পক্ষ  থেকে ধন্যবাদ******  

Sunday, July 6, 2014

যে কোন ফোল্ডার লক করুন ফোল্ডার প্রটেক্টর সফটওয়্যার ছাড়াই!! এবার নিজে তৈরি করুন Folder Locker !!

প্রথমেই বলে নেই এই টিপস টা অনেকেই জানেন। আমি নতুনদের উদ্দেশ্যে লিখছি। এই ধরনের টিউন আগে প্রকাশিত হলে প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।


আমাদের সকল কাজের মূল হল প্রাইভেসী, বিভিন্ন কাজে আমাদের দরকারি ফোল্ডারকে পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড করা লাগে যাতে অন্য কেউ সেটা অ্যাক্সেস করতে না পারে। আমরা এই কাজে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করি কিন্তু সবসময় আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার পাই না হয়ত সেগুলোর দাম খুব বেশি কিংবা পাইরেটেড কপি সহজে পাওয়া যায় না। তাই  আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে আপনারা মাত্র এক ক্লিকেই একটি পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড ফোল্ডার তৈরী করতে পারবেন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই। আপনি চাইলে এই ফোল্ডার টি হাইড ও করতে পারবেন এখন দেখা যাক আপনারা কিভাবে এটি করবেন। আমি স্টেপ বাই স্টেপ বলে যাচ্ছি। আপনারা সেই মত কাজ করেন। 

১. Create a new folder, once done go into the folder.
২. এবার এখানে একটি টেক্সট ফাইল তৈরী করে নিচের কোডটুকু কপি করে  পেস্ট করুন।

cls
@ECHO OFF
title Folder Private
if EXIST "HTG Locker" goto UNLOCK
if NOT EXIST Private goto MDLOCKER
:CONFIRM
echo Are you sure you want to lock the folder(Y/N)
set/p "cho=(more than)"
if %cho%==Y goto LOCK
if %cho%==y goto LOCK
if %cho%==n goto END
if %cho%==N goto END
echo Invalid choice.
goto CONFIRM
:LOCK
ren Private "HTG Locker"
attrib +h +s "HTG Locker"
echo Folder locked
goto End
:UNLOCK
echo Enter password to unlock folder
set/p "pass=(more than)"
if NOT %pass%== PASSWORD_GOES_HERE goto FAIL
attrib -h -s "HTG Locker"
ren "HTG Locker" Private
echo Folder Unlocked successfully
goto End
:FAIL
echo Invalid password
goto end
:MDLOCKER
md Private
echo Private created successfully
goto End
:End

৩. এবার  এই কোডের নিচের ছবির মত মার্ক করা অংশে আপনার পাসওয়ার্ড বসান।

 
৪. পাসওয়ার্ড দেবার পরে টেক্সট ফাইলটি .bat এক্সটেনশনে সেইভ করুন। নিচের ছবির মত।
৫. এবার আপনি একটি batch ফাইল পাবেন এবং এতে ডাবল ক্লিক করলে private নামে একটি ফোল্ডার তৈরি হবে। এটাই মূলত আপনার কাঙ্ক্ষিত ফোল্ডার যার ভিতর আপনি আপনার ফাইল সুরক্ষিত রাখবেন.
৬. batch ফাইলে আবার ডাবল ক্লিক করলে নিচের মত দেখতে পাবেন।এবার  y প্রেস করবেন। দেখবেন ফোল্ডারটি হাইড হয়ে গেছে।

৭. ফোল্ডারটি পূনরায় আনলক করতে বা দেখার জন্য batch ফাইলে আবার ডাব্ল ক্লিক করুন। আপনার সেট করা পাসওয়ার্ড দিন এবং এন্টার চাপুন। ব্যাস কাজ শেষ।  আপনার হিডেন ফোল্ডার  আপনার সামনে হাজির।


                     
                   *****সবাইকে আলোর সন্ধানের পক্ষ 
                                          থেকে ধন্যবাদ******  



Friday, July 4, 2014

দেখুন নোট প্যাডের যাদু -১ (ছবি সহ)

দেখুন নোট প্যাডের যাদু -১


প্রথমেই আমার সালাম নিবেন-“আসসালামু আলাইকুম”। আমরা অনেকেই নোট প্যাড কি তা জানি কিন্তু অনেকেই জানি না এটা দিয়ে কি কি কাজ করা সম্ভব জানি না। আজ আমি আপনাদের নোট প্যাড দিয়ে কিভাবে (Log Book) টাইম ভিউ হয় তা জানানোর চেষ্টা করব। 
তাহলে আর দেরি কেন এবার শুরু করা যাক... 
লগ বুক  Log Book: 
লগ বুক তৈরি করতে আপনাকে যা করতে হবে তাহলো -
নোটপ্যাড খুলে প্রথম লাইনে লিখতে হবে - .LOG তারপর txt ফরমেটে সেভ করুন।
এবার নোটপ্যাডটি ওপেন করুন এবং দেখুন চলতি সময় ও তারিখ এসে গেছে। 

এবার থেকে যখন আপনি নোটপ্যাডটি ওপেন করবেন দেখবেন চলতি সময় ও তারিখ এসে গেছে।এটাতে আপনি আপনার daily notes বা diary হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও আপনি যখনি F5 চাপ দেবেন চলতি সময় ও তারিখ এসে যাবে।


টিউনটি যদি ভাল লাগে তাহলে আমাদের সাথে থাকুন


                     
                   *****সবাইকে আলোর সন্ধানের পক্ষ 
                                          থেকে ধন্যবাদ******  


Sunday, June 29, 2014

পে পার ডাউনলোড: ফাইল ডাউনলোড করে আয় করার নির্ভরযোগ্য একটি ওয়েবসাইট

পে পার ডাউনলোড কী?

পিপিডি বা পে পার ডাউনলোড এফিলিয়েট মার্কেটিং-এ খুব টপ একটি বিষয়। যারা এফিলিয়েট নিয়ে কাজ করেন তাদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে থাকে এটা যখন কাজ শুরু করেন। অর্থাৎ যারা এফিলিয়েট নিয়ে মাত্র কাজ শুরু করতে চাচ্ছেন বা যাচ্ছেন তাদের জন্য পিপিডি চমৎকার একটি পদ্ধতি। কারণ এখানে সফল হওয়ার সম্ভাবনা ১০০% এবং খুব সহজেই কাজ করা যায়। কোনোরকম পূর্ব অভিজ্ঞতা বা কাজ না জানলেও পিপিডি নিয়ে কাজ করতে পারবেন আপনি।

কীভাবে কাজ করে পিপিডি?

আপনার পছন্দের কিছু ফাইল আপলোড করবেন। তারপর সেই ফাইলের লিংকটা অনলাইন জগতে ছড়িয়ে দেবেন আগ্রহীদের কাছে। এই লিংক থেকে আপনার ফাইলটা যতোবার ডাউনলোড হবে আপনি ততবার টাকা পাবেন। তাই জন্যই এই পদ্ধতির নাম পে পার ডাউনলোড বা পিপিডি। অর্থাৎ প্রতি ডাউনলোডের জন্যই আপনি টাকা পাবেন।

কীভাবে শুরু করবো?

যেকোনো একটি পে পার ডাউনলোড সাইটের এফিলিয়েট মেম্বার হোন। তারপর সেখানে আপনার প্রোফাইল ফুল ফিল করে আপনার পছন্দের ফাইল আপলোড করুন। আপলোড করার পর ঐ ফাইলের লিংকটা ছড়িয়ে দিন আপনার ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসসহ নানান স্থানে। এভাবে এক সপ্তাহ কাজ করুন। তারপর ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করুন। দেখবেন প্রয়োজনীয় ফাইলটা ডাউনলোড করছে অনেকেই। আর প্রতি ডাউনলোডের জন্যই আপনি টাকা পাবেন। সুতরাং যতো বেশি লিংকটা ছড়াবেন ততই লাভ আপনার।

কোথায় শুরু করবো?

পিপিডি’র অনেক বিখ্যাত সাইট আছে। সেরাদের মধ্যে একটা হলো: শেয়ার ক্যাশ। এটা আমার পছন্দের তালিকায় সেরা। কেন? কারণ এটাতে আমি কাজ করি। এবং এরা নিশ্চিত টাকা দেয় সেটা আমি জানি। পেমেন্ট নিয়ে কোনো গড়মিল করেনি এরা। শেয়ার ক্যাশ-এর প্রতিটি ডাউনলোড-এর জন্য আপনি পাবেন ১ ডলার থেকে ২০ ডলার পর্যন্ত।

কীভাবে টাকা পাবো?

একাধিক মাধ্যমে শেয়ার ক্যাশ টাকা দিয়ে থাকে। আমি পেওনিয়ার ব্যবহার করি। মাত্র ২০ ডলার হলেই আপনি পেওনিয়ার দিয়ে টাকা উইথড্র করতে পারবেন। ওরা প্রতি ১৫ দিন পর পর পেমেন্ট দেয়।

আর কোনো তথ্য?

কোনো ধরণের পর্নোগ্রাফি বা এডাল্ট বা কপিরাইটেড কিছু আপলোড করা যাবে না। তাহলে আপনার একাউন্ট ব্যান হয়ে যাবে। নিজের ফাইল নিজে ডাউনলোড করা যাবে না। তাহলেও আপনি সমস্যায় পড়বেন।
নিজের কাছে নিজে সৎ থেকে কাজ করুন। প্রতিদিন ১৫-২৫ ডলার ইনকাম করা সম্ভব এই সাইটের মাধ্যমে। শুধু একাগ্রভাবে ১৫ দিন যদি কাজ করেন তাহলেই দেখবেন পরবর্তী ৬ মাস বসে বসে খেতে পারবেন।
      ******আমাদের সাথে থাকতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিবেন প্লিস******
                                                Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                                                ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                                                 Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                     
                                 *****সবাইকে ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়ালের পক্ষ 
                                          থেকে ধন্যবাদ******  

Saturday, June 28, 2014

বাংলা ব্লগিং থেকে আয় করুন ।

আমি জয় ব্লগিং জগত এ অনেক দিন ধরে আছি । কিন্তু শুধু ব্লগ পড়া নিয়েই আমার সীমাবদ্ধতা , কোনদিন লিখার সাহস হয় নি ।কিন্তু আজকে আমার লিখার জীবন শুরু করলাম । আগে শুধু নিজের সাইট এ কপি পেস্ট মারতাম :) 
যাই হোক আমি অনেক দিন ধরে ব্লগ পরি , ব্লগে আমার মূল বিষয় হল ফ্রীলান্সিং । আমি অনেক ব্লগ এ এই বিষয় নিয়ে ঘাটাঘাটি করতাম । এক সময় ফ্রীলান্সিং এ গুগল অ্যাডসেন্স এর পোস্ট দেখলাম ।
গুগল করে আর কিছু পোস্ট পাইলাম । আমি তো পুরাই পাগল হয়ে গেলাম অ্যাডসেন্স এর পিসনে ।
ওয়ার্ড প্রেস দিয়ে ব্লগ খুললাম অ্যাডসেন্স পাইতেও তেমন কষ্ট হল না ।
১৩ ডলার হওয়ার পর গুগল মামা একটা প্রাইভেট প্লেন পাঠাইল (মেইল দিল ) দেখে তো পুরাই মাথা নষ্ট আমার আডসেন্স অ্যাকাউন্ট টা ডিসেবল করে দিসে ।
আমি খুব হতাশ হয়ে পরলাম । গুগল এর মত সাইট যদি এমন করে তাহলে কিভাবে অনলাইনে টাকা আয় করা সম্ভব ।
আমাদের এলাকায় একবড় ভাই অনেক দিন ধরে ইন্টারনেট এ টাকা আয় করে । তো আমি তার কাছ থেকে কাজ নিয়ে করতাম ।
এভাবে ৬ মাস পার করলাম । এতদিনে অনেক কিছু জানে গেসিলাম অনলাইন জগতের।
ডাটা এন্ট্রি এর কাজ ১ মাস করেসিলাম , কিন্তু কষ্ট অনেক টাকা কম তাই বাদ দেই ।
আমি আবার ইংলিশ এ খুব দুর্বল তাই এবার একটা সাইট খুজসিলাম বাংলা ব্লগ এ অ্যাড দেওয়ার জন্য । অনলাইনে তেমন কোন সাইট এ বিশ্বাস করি না ।
তাই বড় ভাইয়ার শরণাপন্ন হলাম ।
তিনি আমাকে বলল বাংলা ব্লগিং করেও আয় করা সম্ভব ।এমন অনেক নেটওয়ার্ক আসে । আমি তার কাসে একটা নির্ভরযোগ্য সাইট এর লিঙ্ক নিলাম এবং গত ১ মাস ধরে কাজ করে ১০০ ডলার উথালাম।
আপ্নারা যদি চান তবে জয়েন করতে পারেন । _-_-_-> লিঙ্ক
             ******আমাদের সাথে থাকতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিবেন প্লিস******
                                                Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                                                ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                                                 Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                     
                                 *****সবাইকে ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়ালের পক্ষ 
                                          থেকে ধন্যবাদ******  

Friday, June 27, 2014

Bidvertiser এর মাধ্যমে আয় করুন 150-200 USD নিশ্চিন্তে। [না দেখলে ১০০০% মিস]

আমি নিশ্চিত যে এই টিউন্সটি পরে আপনার মন আর অনেক বেশি ভাল হবে।
আজ আমি আপনাদের সাথে যে সাইট টি নিয়ে আলোচনা করবো সেটি হল SPIC.BIZ
নাম দেখে হয়তোবা বুঝে গিয়েছেন এটি কোন ধরনের সাইট হতে পারে,তাও বলি এটি হল একটি ফটো শেয়ারিং সাইট।এবং এর মাধ্যমে পৃথিবীর সব চাইতে সহজ উপায়ে ১০০% নিশ্চিন্তে আয় করা যায়।
১০০% নিশ্চিন্ত বলার কারন হল ,এখানে আপনি আপনার Payment টি পাবেন বিখ্যাত Advertising কোম্পানি Bidvertiser এর কাছ থেকে।আর SPIC কে আপনি ব্যাবহার করবেন আয়ের মাধ্যম হিসেবে।
ধরুন spic এ আপনি একটি ছবি আপলোড দিলেন আর সেই ছবির নিচে একটি bidvertiser এর Ads ও যোগ করে দিলেন।
তারপর সেই ছবিটি আপনি আপনার ফেসবুক,ওয়েবসাইত,ব্লগ যেকোনো জায়গায় শেয়ার করলেন।
এখন আপনার ছবিটি যতজন দেখবে বা আপনার ছবির নিচে দেওয়া AD এ ক্লিক পরবে আপনার bidvertiser অ্যাকাউন্ট এ নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ জমা হবে।
উক্ত অর্থ ১০$ হলেই আপনার paypal এর মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন।
কিভাবে করবেন তা নিচে screenshort এর মাধ্যমে তুলে ধরা হল।
১.সর্ব প্রথম আপনার Username,password ও ইমেইল দিয়ে রেজিস্ট্রেশান কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

২.তারপর Settings Area থেকে একটিভ বাটনে ক্লিক করে আপনার অ্যাকাউন্টটি একটিভ করুন।কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন,অ্যাকাউন্ট একটিভ হলে তারা আপনাকে একটি ইউনিক সাইট এড্রেস দিবে যেমন http://আপনারনাম.SPIC.BIZ

৩.ইউনিক আইডি Confirmation.

৪.আপনার ইউনিক আইডি তে পূর্বের Username ও password দিয়ে লগিন করুন।

৫.এখান আপনার bidvertiser Ads pid সহ ছবি আপলোড দিন আর ছবিটি শেয়ার করুন।

৬.নিচের ছবিটিতে ছবির নিচে যে Ads টি দেখতে পারছেন সেটি হল আমার bidvertiser এর Ads.

এখন বলি কিভাবে bidvertiser এর Ads pid পাবেন।
প্রথমে bidvertiser এ যান
 নিচের Bidvertiser এর বানারে ক্লিক করে একাউন্ট খুলুন।
তারপর Bidvertiser এ আপনার না থাকলে একটি অ্যাকাউন্ট করে নিন।আর থাকলে login করুন।
তারপর = Add new bidvertiser এ ক্লিক করুন। আর ফর্ম টি spic থেকে দেওয়া ইউনিক Link টি দিয়ে পুরন করে সাবমিট করুন।এখন আপনার মুল অ্যাকাউন্ট এ গিয়ে দেখুন আপনার সাইট টি approved হয়ে গেছে।
সবশেষে Get Ad Code অপশন থেকে আপনার Ad code টি সংগ্রহ করুন।
এখন নিচের ছবিটি দেখে আপনার Ads pid টি সংগ্রহ করুন আর আপনার আপলোড করা সকল pic এর সাথে শেয়ার করুন।
সেই ছবিটি আপনি আপনার ফেসবুক,ওয়েবসাইত,ব্লগ ইত্যাদি ইত্যাদি জায়গায় শেয়ার করলেন। 
সময় হলে আমার Photo Gallery  টা একটু ঘুরে আসবেনঃ এখানে ক্লিক করুন
                         
                          ******আমাদের সাথে থাকতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিবেন প্লিস******
                                                Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                                                ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                                                 Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                     
                                 *****সবাইকে ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়ালের পক্ষ 
                                          থেকে ধন্যবাদ******  

আর্টিকেল লিখে আয় করুন হাবপেজ থেকে

undefined
ব্লগ বা ওয়েব সাইট থেকে অর্থ উপার্জনের জনপ্রিয় উপায় হলো গুগলের অনলাইন অ্যাডভার্টাইজিং সার্ভিস প্রোগ্রাম গুগল অ্যাডসেন্স। নিরাপত্তা ও সর্বোত্তম সার্ভিস পাওয়ার জন্য বিজ্ঞাপন দাতারা তাদের ব্র্যান্ড ও প্রোডাক্টকে প্রোমট করার জন্য গুগল অ্যাডসেন্সকেই বেছে নেয়। বর্তমানে বিজ্ঞাপন দাতাদের ক্লিক ফ্রড ও স্পামিং এর হাত থেকে রক্ষা করতে পাবলিশারদের জন্য রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া কঠিন করেছে। তাই আপনি যদি অ্যাডসেন্স পাবলিশার হিসেবে অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ করাতে চান তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে যে অ্যাডসেন্স আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে কি চায়। বেশির ভাগ ব্লগার অ্যাডসেন্স এ অ্যাপ্লাই করার পর একই ধরণের রিপ্লে পেয়ে থাকেন। যেমন – Page Type, Postal, Invalid Content বা insufficient content ইত্যাদি। আপনি যদি এর আগে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্লাই করে থাকেন তাহলে হয়েতো এধরনের রিপ্লে পেয়েছেন। আপনার ব্লগ  বা ওয়েবসাইট যদি অ্যাডসেন্স এর Terms And Conditions ফলো না করে তাহলে আপনি যখন Application সাবমিট করবেন তখন অ্যাডসেন্স অ্যাপলিকেশন চেক করে দেখবে এবং একটি মেইল পাটাবে যে আপনার Page Type Error বা insufficient content এর কারণে অ্যাডসেন্স এ অংশ নিতে পারছেন না।  তো Page Type Error বা insufficient content আসলে কি? এখন এটি একটি কমন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু মাত্র অ্যাডসেন্স এর ইঞ্জিনিয়ারাই জানেন এর অ্যালগরিদম সম্পর্কে। তবে আমি এখানে কিছু প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করছি যাতে আপনার অ্যাডসেন্স সাইন আপ প্রক্রিয়া সহজ হয় এবং আপনি হতে পারেন একটি অ্যাপ্রুভ অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টের মালিক।
কিভাবে Page Type Error বা insufficient content থেকে মুক্তি পাবেন? এ জন্য যা যা করা যেতে পারে-

টপ লেভেল ডোমেইন প্রয়োজনঃ

আপনি কি সিরিয়াসলি অ্যাডসেন্স নিয়ে কাজ করতে চান? উত্তর যদি হ্যাঁ হয় তাহলে একটি কাস্টম ডোমেইন বা টপলেভেল ডোমেইন কেনার চিন্তা করুন। অ্যাডসেন্স খুব কমই ফ্রি বা সাব-ডোমেইনের সাইটের অ্যাপলিকেশন Accept করে। ধরুন আপনার একটি ভাল ব্রান্ড আছে আর আপনি এটি অনলাইনে প্রমোট করাতে চান। এটি কিন্তু সাব ডোমেইনের মাধ্যমে ভাল ভাবে প্রমোট করাতে পারবেন না। কারণ এধরনের সাইটের ভিজিটর বিশস্ত হয় না। আপনার ব্লগ যদি কাস্টম ডোমেইন বা টপ লেভেল ডোমেইনের হয়ে থাকে তাহলে এর মাধ্যমে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ হবার সম্ভাবনা প্রায় ৭০%।

জেনুইন এবং কোয়ালিটি কনটেন্টঃ

ব্লগে সব সময় আসল এবং কোয়ালিটি কনটেন্ট যুক্ত করুন। কোনরূপ কপি পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন। খেয়াল রাখবেন আপনার ব্লগের কনটেন্ট অ্যাডসেন্স এর Terms And Conditions ফলো করে চলছে কি না। একটি নতুন আর্টিকেল তৈরির প্রস্তুতির জন্য নিচের পয়েন্ট গুলো মাথায় রাখবেন।
  •  আপনি যখন স্পামিং বা হ্যাকিং টাইপের ব্লগে যাবেন তখন সর্বদা অ্যাংকর ট্যাগে ডুফলো অ্যাট্রিবিউট যুক্ত করুন।
  •   আর্টিকেলে শব্দের সংখ্যা কমপক্ষে ২৫০+ রাখার চেষ্টা করুন।
  • পাঠককে কখনও বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার জন্য জোর বা চাপ প্রয়োগ করবেন না।
  •   অন্য ব্লগে ব্যবহৃত ইমেজ আপনার ব্লগে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। অন্য ব্লগের ইমেজ ব্যবহার করলে আপনি কপিরাইট লঙ্ঘন করতে পারেন। কারন ইন্টারনেটে থাকা সব ইমেজই অটোমেটিক কপিরাইটের আওতায় চলে যায়। তাই নিজের ব্লগের জন্য পরিচ্ছন্ন ইমেজ তৈরি করুন।

কিছু স্ট্যাটিক পেজ তৈরি করুনঃ

ব্লগে আপনাকে কিছু স্ট্যাটিক পেজ রাখতে হবে। আপনি যদি ব্লগার.কম এ ব্লগ করেন তাহলে এখানে প্রায় ২০ টি স্ট্যাটিক পেজ তৈরি করতে পারবেন। ব্লগে স্ট্যাটিক পেজ তৈরির জন্য এ অপশনকে কাজে লাগান। সব সময় ব্লগে About us, Contact us, Privacy Policy পেজ তৈরি করুন।  Privacy Policy পেজ ব্লগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ন পেজ। এতে আপনার ব্লগের কনটেন্ট এবং ভিজিটরের প্রকৃতির বর্ণনা থাকে যা অ্যাডসেন্সের কাছে খুবই পছন্দনীয় একটা ব্যাপার।

টেম্পলেট ডিজাইন করুন সুন্দর ভাবেঃ

ব্লগে আপনি যে টেম্পলেটটি ব্যবহার করছেন তা ভাল ভাবে কাস্টমাইজ হতে হবে। এত কোন ডিজাইনিং ত্রুটি থাকা চলবে না।   আপনি যদি নিজে ডিজাইন করতে না পারেন তাহলে টেম্পলেট ডাউনলোড করুন অথবা একটি প্রিমিয়াম টেম্পলেট কিনে ফেলুন।
এবার অ্যাপলিকেশন সাবমিট করার পূর্বে নিচের পয়েন্ট গুলো নিয়ে আরেকবার ভাবুন।
  • ব্লগ বা ওয়েসবাইটের হোম পেজের সাইজ।
  • মেনুবার সম্পর্কে নিশ্চিত হোন। যাতে এত কোন ডিজাইনিং ত্রুটি না থাকে।
  • Credits এবং Privacy Policy সম্পর্কিত তথ্য সাইটের ফুটার সেকশনে রাখুন।
  • টেম্পলেট থেকে ওভারফ্লো এলিমেন্ট গুলো মুছে ফেলুন।
  • শেয়ারিং এবং সাবক্রিপশন উইজেট বা গ্যাজেট ব্লগে যুক্ত করুন।
আমাদের একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে গুগল এ আমরা যে অ্যাপ্লিকেশন গুলো সাবমিত করি কোন মানুষ এগুলো চেক করে না। একাজের জন্য আছে বট। এটা একটা মেশিনের মত কাজ করে। তাই সব কিছু ঠিক থাকলে অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ হবে।

                            ******আমাদের সাথে থাকতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিবেন প্লিস******

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                     
           *****সবাইকে  ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়ালের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

 

বাংলা ব্লগিং থেকে আয় করুন ।

আমি জয় টিউটোরিয়াল বিডি তে নতুন । আশা করি আল্লাহ্‌ এর অসীম রহমতে ভাল আসেন সবাই । আমি কিন্তু খুব কাচা মানের লেখক । লিখায় ভুল হলে দয়া করে মাফ করে দিয়েন ।
যা হোক , এই ব্লগ এ আমার প্রথম পোষ্টটি তাহলে শুরু করা যাক । আমি ব্লগে লিখসি বেশি দিন হবে না । কিন্তু আমি এই ব্লগ এবং অন্যান্য ব্লগ অনেক দিন ধরে পরে আসছি ।
আমার সব থেকে ভাল লাগতো ইন্টারনেট থেকে আয় এর পোষ্ট গুলো পড়তে । প্রতি দিন নতুন নতুন ব্লগ খুজতাম আর এ বিষয়ে পড়তাম । ১ বছর এভাবে পড়ার পর আমি ভাবলাম , চল শুরু করা যাক । প্রথম শুরুটা হয়েছিলো ডাটা এন্ট্রি দিয়ে । কিন্তু সেখানে পরিশ্রম বেশি টাকা কম তাই ২ মাস করার পর আর করি না ।
আমি এতো দিনে বড় স্বপ্ন দেখা শিখে গেছিলাম । এবার আমি খুজা শুরু করলাম Google Adsence । কারন এটাই বড় কিছু করার বড় প্লাটফর্ম ছিল আমার জন্য । অনেক কষ্ট করলাম গুগলের জন্য । ইংলিশ সাইট থেকে লেখা কপি পেস্ট শুরু করলাম । ভিসিটর বারালাম । যখন ৩ $ হল আমার একাউন্ট টা গুগল কপি রাইট আইন ভাঙ্গার জন্য ডিসেবল করে দিল । এবার আমি পুরো পুরি হতাস । ২ মাস কোন কাজ করলাম না ।
তার পর এক বড় ভাই এফবি লাইক এক কাজ দিল । বড় ভাই বলে মানা করতে পারসিলাম না । এফবি এর কাজ করতে করতে ভাইয়ার সাথে ভাল একটা সম্পর্ক হয়ে গেল ।
তিনি আমাকে ১ম বাংলা ব্লজ্ঞিং করে আয় করার কথা বলল ।  এটাও গুগলের মত কিন্তু যেকোনো ভাষার ব্লগ হলে হবে । মানে আপনার ব্লগ টা  বাংলা তে হলেও তারা অ্যাড দিবে ।
আমি ১ মাস কাজ করি আমনোযগ ভাবে । কারন আগেই গুগল আমাকে মুরগা বানাইসে । ১ মাস পর ১০ ডলার পাই । তাই আপনাদের কেও লিঙ্কটা শেয়ার করলাম ।

Sing Up করতে এখানে ক্লিক করুন

                     ******আমাদের সাথে থাকতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিবেন প্লিস******

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল)
                     
           *****সবাইকে  ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়ালের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

Monday, June 23, 2014

ব্লগিং করে মাসে লাখ ডলার কামানো ৭ ব্লগার

আমাদের মধ্যে অনেকেই ব্লগিং শুরু করেন শখের বশে, কেউবা শুরু করেন টাকা আয়ের জন্য। একটা ব্লগ শুরু হয় অনেকগুলো বিষয় নিয়ে। কেউ হয়তো নিজের অভিজ্ঞতা, অনুভুতি নিয়ে লিখেন, কেউ আছেন কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে কিংবা অনেকে শুরু করেন টেকনোলজী নিয়ে। সবাই লিখলেও তাদের মাঝে খুব কয়েকজনেই এই ব্লগ দিয়েই আয় করেন। ব্লগিং করে কোটিপতি হওয়া ব্লগারের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। তাদের মধ্যে থেকে শুধু মাত্র ব্লগিং এর পিছনে সময় ব্যায় করে যে সকল লোক  বা প্রতিষ্ঠান ইনকাম করেছ লক্ষ লক্ষ ডলার তার মধ্যে অন্যতম ১০টি ব্লগের পরিচিতি নিচে দেওয়া হলো।
কোটিপতি ব্লগার
১. হাফিংটন ব্লগ: সাম্প্রতিক কালের সবচেয়ে সেরা ব্লগ হচ্ছে এটি। এই ব্লগটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ২০০৫সালে কয়েকজন কলামিষ্ট, লেখক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আরিয়ানা হাফিংটনের মাধ্যমে। এই সাইটিতে দৈনিক ইনকাম হয় প্রায় ৩০,০০০ডলার।
সাইটের ঠিকানা হচ্ছে:  huffingtonpost
২. ম্যাশহেবল: এই ব্লগটিতে স্বাভাবিক ভাবে বিনোদন ও সামাজিক মিডিয়া সম্পর্কে লিখা হয়। এই ব্লগটিও ২০০৫ সালে পিটে ক্যাশমোর নামীয় যুবক প্রতিষ্ঠিত করেন অথচ উনার বয়স তখন ছিলো মাত্র ১৯ বছর। এই ব্লগটির ইনকামের অন্যতম মাধ্যম হচ্চে বিজ্ঞাপন ।দৈনিক ইনকাম প্রায় ১৫,০০০ ডলার।
সাইটের ঠিকানা হচ্ছে: mashable
৩. গ্যাজেট: এই ব্লগটিতে  বিভিন্ন ভোক্তা সাধারনকে সতর্ক করা ও গ্যাজেট  নিউজ প্রকাশ করা হতো বিভিন্ন ভাষায়। এই ব্লগের দৈনিক ইনকাক হচ্ছে ১০,০০০ডলার।
সাইটের ঠিকানা হচ্ছে: engadet
৪. পিরেজ হিলটন: এই সাইটিতে প্রকাশ করা হতো সেলিব্রেটিতের বিভিন্ন তথ্য। এই ব্লগটি প্রকাশ করা হয় ২০০৪ সালে । এরও ইনকামের অন্যতম মাধ্যম হচেছ বিজ্ঞাপন।
সাইটের ঠিকানা হচ্ছে:  perezhilton
৫.গিজমোডো: এই সাইটিতেও ক্রেতা সাধারনের বক্তব্য তুলে ধরা হতো। পিটার রজাস ২০০২সালে এই ব্লগটি চালু করেন।
সাইটের ঠিকানা হচ্ছে:  gizmodo
৬.জয়স্টিক: যারা গেইমস পছন্দ করেন তাদের জন্য এই সাইটি নির্মান করেছেন পিটার রজার্জ। দৈনিক ইনকাম প্রায় ১৭০০০ডলার। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটির বা ব্লগটির মালিক এওএল।
joystiq
৭. রিটেয়ার এট ২১:  এই ব্লগটিতে ইয়াংদের জন্য বিভিন্ন প্রকার টিপস সরবরাহ করে থাকে। মাইকের ডানলপ ২০০৬ সালে এই ব্লগটি প্রতিষ্ঠা করেন। ‍ মাইকেল ডানলপ তার কলেজ জীবন জয় করতে পারেননি কিন্তু ইন্টারনেটকে জয় করেছেন।
retireat21

এছাড়াও আরো কয়েকটি ব্লগ এর নাম নীচে দেওয়া হল যেগুলো অনেক টাকা আয় করে প্রতিদিন অনলাইন থেকে।

৮. লাইফ হ্যাকার:
সকল প্রকার হ্যাকিং এর টিপস প্রদান করা ছিলো এই ব্লগের কাজ। বলতে গেলে সম্পূর্ণ হ্যাকিং ভিত্তিক সাইট।

৯। এন্ডু সুলিভন:  প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্লগ যা প্রতিষ্ঠিত করেছেন ব্রিটিশ লেখক ।
ঠিকানা: dish.andrewsullivan
১০. কোটাকু: এটিও হ্যাকার সাইট তবে অনেক কিছুই পাওয়া যায়। পরিচালিত হয় এমটিভি রিপোর্টার স্টিপেন টটিলো, এই সাইটের দৈনিক ইনকাম ১৫০০ডলার।
ঠিকানা : kotaku

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

বাংলা ব্লগিং থেকে আয় করুন

সবাইকে সালাম দিয়ে শুরু করলাম জীবনের প্রথম পোস্ট । আসা করি সবাই ভাল আসেন । আমি যেহেতু নতুন তাই লিখতে খুব কষ্ট হচ্ছে । আশা করি ক্ষমা করেদিবেন ।
আসলে আমি অনেক দিন ধরে টেক টিউন্স পড়সি । কিন্তু কোনোদিন লিখার সাহস হয়নি । আজ সাহস করে লিখতে বসলাম ।
আমরা অনেকে গুগল অ্যাড সেন্স এর পিছনে ঘুরছি । কিন্তু সফল হইনি এর একটি কারন হল আমরা ইংলিশ এ অনেক দুর্বল । গুগল থেকে টাকা আয় করা কিন্তু অনেক পরিশ্রমের বেপার । কারন গুগল এর অ্যাড দেওয়ার জন্য সাইট কে PR1 হতে হয় । আমিও একসময় এর পিছনে অনেক ঘুরছি কিন্তু কোন সাফলতা পাইনি।
অন্য দিকে এক বড় ভাই গুগলে অনেক টাকা কামিয়ে ফেলেছে । তো একদিন আমি তাকে বলেই ফেলি ভাই আমি তো ইংলিশ এ দুর্বল , গুগল দিয়ে কি আয় করতে পারব ?
তিনি আমাকে বলে না , গুগল এর টাকা এত সহজে পাওা যায় না । আমি কিন্তু মেসে থাকি তাই মাসের ২০ তারিখ থেকে হাত ফাঁকা হওয়া শুরু হয় । তাই ভাই কে বলি ভাই আমি তো কপি পেস্ট সারা আর কিছুই পারি না । আপনার কাসে কি কোন এমন সাইট এর কাজ আসে যেখানে বাংলা লিখে টাকা আয় করা যায় ।
তিনি প্রথমে ডাটা এন্ট্রি এর কাজ দেয় ,আমি সেটাও করতে পারিনা কারন কষ্ট অনেক আবার টাকা কম ।
শেষ এ তিনি একটা সাইট এর লিঙ্ক দেন সেখানে নাকি বাংলা ব্লগ সাইট এ ব্যানার অ্যাড দিয়ে টাকা আয় করা যায় । আমি ওটা চেষ্টা করি ।
শেষে ১ মাস পর কিছু টাকা পাই । এটা পেয়যা সাপোর্ট করে । তাই পেয়যা তে টাকা ত্রান্সফর দিয়ে আমার অই বড় ভাই এর মাস্টার কার্ড দিয়ে জীবনের প্রথম টাকা তুলি ।
আপ্নারা চাইলে নিচের লিঙ্ক গিয়ে জইন করতে পারেন ।
লিঙ্ক<----

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

Sunday, June 22, 2014

এবার আপনার ওয়াপকা সাইট বা ফোরাম সাইট এ দিন এডসেনস Alternative এড, bidvertiser.com এর Ad, আর আয় করুন বেশি বেশি

আপনার কি ওয়াপকা সাইট বা ফোরাম আছে?
আপনি কি আপনার ওয়াপকা সাইট বা ফোরাম থেকে ভাল টাকা আয় করতে চান?
তাহলে এই পোষ্টটি আপনার জন্য,
bidvertiser.com হচ্ছে গুগল এডসেনস এর পরের এডবেরটাইজ কম্পানি, আপনার সাইট এ যদি ভিজিটর থাকে তাহলে ভাল টাকা আয় করতে পারবেন এই এডবেরটাইজ কম্পানি থেকে,
তাহলে চলুন দেখি কিভাবে ওয়াপকা সাইট বা ফোরাম এ bidvertiser.com এর Ads দিব

প্রথমে এইখানে গিয়ে পাবলিশার হিসেবে REGISTER করুন,
Add new BidVertiser click করে ads code তৈরি করুন এবং কপি করে নোটপ্যাড এ paste করুন
কোন সমস্যা হলে নিচে comment করুন
,,,আল্লাহ হাফেজ,,,

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

আর্টিকেল রাইটিংয়ের A to Z! ক্যারিয়ার হোক আর্টিকেল রাইটিংয়ে।

ক্যারিয়ার গড়ার অন্যতম সম্ভাবনাময় একটি ক্ষেত্র হচ্ছে লেখালেখি, যেটিকে আর্টিকেল রাইটিং বা কন্টেন্ট রাইটিং বলা হয়। যারা ইংরেজিতে ভালো এবং লেখালেখিতে পেষণ আছে তারাই রাইটার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। ওয়েবে বিভিন্ন উদ্দেশ্য কে সামনে নিয়ে আর্টিকেল লিখতে হয়। ব্লগ আর্টিকেল ছাড়াও প্রডাক্টের রিভিউ, সার্ভিসের সেলস পেজ, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য রিসোর্স বই, ব্রশিউর, লিফলেট বা অন্যান্য প্রচারণার কাজে রাইটারদের আর্টিকেল লিখতে হয়। রয়েছে বিশাল কাজের ক্ষেত্র।
ওডেস্ক ও ইল্যান্সের মত নাম করা ফ্রিল্যান্স মার্কেট প্লেস গুলোতে রয়েছে হাজার হাজার প্রজেক্ট। শুধু মাত্র ইল্যান্সে গত ৩০ দিনে লেখক চেয়ে জব পোস্ট হয়েছে ৯০,২৭৭ টি। এমনকি রাইটিংকে নিয়ে গড়ে উঠছে মার্কেটপ্লেসের সংখ্যাও নিছক কম নয়। যেমন
বাংলাদেশে এমন অনেক ফ্রিল্যান্স লেখক আছেন যারা ঘন্টায় ১০-১২ থেকে ৩০ ডলার আয় করে থাকেন।
আয় করার সুযোগ আছে নিজের ব্লগিং সাইটে ইনফরমেটিভ ব্লগ এবং অ্যাফিলিয়েট সাইটে প্রডাক্ট রিভিউ লিখে। এছাড়া দেশি-বিদেশি ইন্টারনেট মার্কেটিং অথবা কনটেন্ট মার্কেটিং প্রতিষ্ঠানেও ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা বেতনে চাকরিও করছেন অনেকে।
অনেকে ফ্রিল্যান্স রাইটিং কিংবা ব্লগিং পেশায় আসতে চান, কিন্তু সঠিক গাইড লাইনের অভাবে ভালো করতে পারছেন না। আমি চেষ্টা করি আমার নিজের মত করে আগ্রহিদের গাইড করতে। অনেকেই সফলও হয়েছে ইতিমধ্যে। আর্টিকেল রাইটিংয়ের কিছু টিপস নিয়ে আমার লেখাটি আশাকরি আপনাদের উপকারে আসবে।
freelance writing career
ইমেইজ ক্রেডিটঃ Edwardlangley

শুরু করতে চাচ্ছেন? যেভাবে শুরু করবেন!

শুরুর দিকে!

১। প্রথমে নিজে নিজেই বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত লিখে যান। এতে আপনার লেখালেখির দক্ষতা ও আত্নবিশ্বাস বাড়বে। শুরুতেই কি নিয়ে লিখবেন ভবছেন?
  • এমন বিষয় বাছাই করুন যা আপনি সবচেয়ে ভালো জানেন
  • আপনার মনে স্ট্রং ফিলিং কাজ করে সেই বিষয়কে গুরুত্ব দিন
  • পাঠক কোন কোন বিষয়ে পড়তে বেশি আগ্রহী সেসব নিয়েও লিখতে পারেন
মনে রাখতে হবে আর্টিকেল রাইটিং এবং ক্রিয়েশন দুইটা ভিন্ন ব্যপার। ক্রিয়েশনের জন্য চাই স্পেসিফিক বিষয়ে প্রচুর জানাশুনা, এক্সপেরিমেন্ট এবং অনেক দিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা, যেখানে আপনার নিজস্ব মতামত প্রতিষ্ঠা করতে হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, রিসার্স পেজ, স্টোরি শেয়ারিং ও কেসস্টাডি। কিন্তু আর্টিকেল রাইটিংয়ে বিভিন্ন জানাশুনাকে একুমুলেট করে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা তুলনা মূলক সহজ। শুরুতে আপনি হয়তো কোন বিষয়েই অভিজ্ঞতা উজার করে লিখতে পারবেন না। হতাশ হবেন না লিখে যান নিয়মিত।
২। মূলত ৭ ধরণের লিখার স্ট্রাকচার হতে পারে। আর এই জন্যই প্রথমেই আইডেন্টিফাই করতে হবে কোণ বিষয়ের জন্য কোন ধরনের স্ট্রাকচারে লিখতে হবে। নিচের লিংক থেকে আমার সংগৃহীত লেখাটি ডাউনলোড করে পড়ে নিন, লেখার ৭ স্ট্রাকচার ও কিভাবে লিখতে হবে সেই সম্পর্কে আপনার পরিপূর্ণ জ্ঞান চলে আসবে। copy
মনে রাখবেন প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিষয় বস্তু ও এপ্রোচ অনুযায়ী লেখার মান, কোয়ালিটি এবং স্ট্যাইল ভিন্ন ভিন্ন হয়। এছাড়াও ব্লগ আর্টিকেল, প্রডাক্ট রিভিউ, সেলস পেজ, রিসার্স পেজ, স্টোরি শেয়ারিং, ক্যাস স্টাডি’র জন্য লেখা কেমন হয় বা হতে হবে সেই বিষয়ে প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে। গুগলে সার্চ করে লেখা গুলো ফলো করুন। পাশাপাশি এই লিংকে আমি কিছু স্যাম্পল দিয়েছি দেখুন copy
৩। লেখালেখিতে নিজস্ব বাচন ও প্রকাশ ভঙ্গি তৈরি করুন, যা আপনাকে অন্যদের চেয়ে ভিন্ন এবং সহজেই বিশেষ করে তুলবে। বিখ্যাত আমেরিক্যান লেখক “Sandra Cisneros” এর এই উক্তিটি “Write about what make you different” মনে রাখবেন সব সময়।
৪। লেখার সময় গ্রামারের প্রতি এবং শব্দ ও বাক্য চয়নে বিশেষ নজর দিন।
৫। লেখালেখিতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ড্রাফটিং এবং রিভিশন। আপনাকে অবশ্যই লেখার শেষে লেখাটির প্রুফরিড করতে হবে।
৬। লেখালেখি কারার জন্য আপনাকে প্রচুর পড়তে হবে, বিভিন্ন বিষয়ে জানতে হবে। জানাশুনা ছাড়া লেখালেখি অসম্ভবই বটে। ভালো মানের লেখকদের বই এবং জনপ্রিয় ব্লগারদের বই নিয়মিত পড়ুন। তাদের লেখনী ফলো করতে করতে এক সময় আপনার নিজস্ব স্টাইল তৈরি হবে। যা আপনাকে সবার মাঝে ইউনিক করে তুলবে। আমি যেই ৬ টি ব্লগ/সাইট নিয়মিত ফলো করি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি...

আর দেরি কেন? প্রফেশনালি ই নামুন না!

১। কি লিখবেন?

লেখার আগে জানা চাই কেন লিখছেন, কাদের টার্গেট করে লিখছেন এবং তারা কি চায়। লেখার পাঠক কে সেটা নির্ণয় করুন। মনে রাখতে হবে লেখা যেন যুক্তিযুক্ত হয়। ওয়েবসাইট এবং বিষয় বস্তু অনুযায়ী ঠিক করে নিতে হয় লাইন অফ অ্যাকশন। আর প্রথমেই নিজের মনকে জিজ্ঞেস করুন আপনি এই বিষয়ের পাঠক হলে কি কি তথ্য পেতে চাইতেন এই লিখা থেকে। এক্ষেত্রে আমার পার্সোনাল মতামত হচ্ছে প্রথমে বিষয় ভিত্তিক WH question ডেভেলপ করা। কি বুঝলেন না তো? ধরুন আমাদের বিষয়, ইনস্যুরেন্স। তাহলে আমরা নিচের WH question গুলো ডেভেলপ করতে পারি।
  • ইনস্যুরেন্স কি?
  • কেন প্রয়োজন?
  • করার আগে কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে?
  • কারা প্রভাইডার আছে?
  • বেস্ট প্রভাইডার কে? কি সুবিধা দিবে?
  • কেমন প্রিমিয়াম দিতে হবে?
কারণ পাঠকের এই প্রশ্ন গুলো ই অজানা, ঐ বিষয় থেকে তথ্য গুলো সে জানতে চাচ্ছে।

২। কিভাবে লিখবেন

প্রথমেই লিখাটির টাইটেল লিখুন। আমি টাইটেল লিখার সময় কমপক্ষে ৪/৫ ভেরিয়েশন লিখি, তারপর সবচেয়ে আকর্ষনীয়টিকে বাছাই করি। টাইটেল আকর্ষনীয় হলে ইউজারের এঙ্গেজমেন্ট বাড়ে, টাইটেল দেখেই লেখাটি পড়তে আগ্রহি হয়ে যায়। আচ্ছা বলুন ত নিচের কোন টাইটেলটি আপনাকে বেশি আকৃষ্ট করে?
  • চুল পরার ৫ টি কারন!
  • যে ৫ টি ব্যপার না জানা থাকলে আপনার চুল পরে যেতে পারে!
  • যে সব কারনে চুল পরে যায়!
“যে ৫ টি ব্যপার না জানা থাকলে আপনার চুল পরে যেতে পারে!” এটা তাই না? হুম তুলনা মূলক ভাবে মানুষ এই টাইটেলটা দেখলেই বেশি আগ্রহী হবে। মনে আছে ত যে বেস্ট আইডিয়া তখনি পাওয়া যায় যখন অনেক আইডিয়া থাকে আপনার কাছে। সুতরাং টাইটেল ভেরিশন আনা জানতে হবে। এই নিন আমার সংগৃহীত ৮০+ টাইটেল সাজেশন  copy
এবার আপনাকে লিখতে হবে, লেখার আগে যা লিখতে চান, সেটার মূল পয়েন্টগুলো (অর্থাৎ প্রশ্ন গুলো) লিখে নেন। প্রশ্ন গুলোর বিষয়ে পরিপূর্ন জানাশোনা কিংবা অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো, অন্যথায় নির্দিষ্ট প্রশ্ন নিয়ে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে বিভিন্ন ব্লগ পড়ে (প্রতিটা প্রশ্নের জন্য মিনিমাম ৫ টি লেখা পড়ুন) কিংবা ফোরামে অংশ গ্রহণ করার মাধ্যমে জানা শুনা বাড়াতে হবে। বলতে পারে রীতিমতো গবেষণা করতে হবে। যে বিষয়ে লিখবেন সে বিষয়ে কোন ধারণা না থাকলে কখনোই ভালো লিখতে পারবেন না। তাই যে বিষয়ে লিখবেন সে বিষয়ের বিভিন্ন ফোরাম এবং ব্লগ ভিজিট করুন এবং পড়ুন, এতে আপনার ধারণা ক্লিয়ার হবে।
গবেষণার কাজ শেষ হলে, এবার লেখাটিকে তিনটি ধাপে সাজান। ভূমিকা, পোস্ট বডি এবং উপসংহার। পাঠক পুরো আর্টিকেলটিতে কি পেতে যাচ্ছে সেটা স্থান পাবেন ভুমিকায়। তারপর লেখার মুল অংশ অর্থাৎ পোস্ট বডি। এখানেই আমরা যেই WH question গুলো ডেভেলপ করে পয়েন্ট আকারে সাজিয়ে উত্তর লিখবো। আরেকটা বিষয় উপরে যেই ৭ স্ট্রাকচারে কথা বলেছিলাম, এখানেই ইম্পিমেন্ট করতে হবে। লেখার সময় নিচের ৩ টি পয়েন্ট অবশ্যই মাথায় রাখবেন।
  • নিজস্ব সৃজনশীলতায় তথ্যকে সমপূর্ণ করে লিখতে হবে পাশাপাশি লেখায় অবশ্যই প্রাঞ্জলতা থাকতে হবে এবং পাঠককে নতুন নতুন স্বাদ পাইয়ে দেয়ার চেষ্টা।
  • রাইটার হিসেবে আপনাকে মনে রাখতে হবে, যারা আপনার লেখা পড়বেন, তারা খুব চুজি সুতরাং তিনি চাইবেন কম সময়ে প্রয়োজনীয় জিনিস পড়তে। তাই সংগৃহীত তথ্যকে সংঘবদ্ধভাবে সাজিয়ে প্যারা করে লিখতে হবে।
  • আগেই বলেছি, রাইটার হতে গেলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে ভালো হতে হবে। ছোট, মাঝারি ও লম্বা বাক্য লিখতে ব্রিটিশ ও আমেরিকান শব্দ ব্যবহারেও হতে হবে সতর্ক, মিশ্রণ করা চলবে না। হবে। গ্রামার সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে সাথে প্রয়োজন শুদ্ধ বানান। এই ইনফোগ্রাফিকটি দেখুন যেখানে ১৫ টি ভুলের কথা বলা হয়েছে যা লেখার সময় অনেকই অনিচ্ছাকৃত ভাবেই করে ফেলে netdna.copyblogger
বিভিন্ন গ্রামার চেকার টুল আছে, সেগুলো দিয়ে গ্রামার চেক করাতে পারেন।
উপসংহারে আমরা পুরো বিষয়ের সামারি উল্লেখ করত পাঠককে উদ্বুদ্ধ করবো উপরে লিখত বিষয়ে। আপনার লেখার কাজ শেষ, এখন এটাকে গ্রামার চেকিং এবং স্পেল চেকিং এর মধ্যমে প্রুফরিড করুন। ভুল গুলো খুঁজে বের করে সংশোধন করে ফেলুন। অবাঞ্ছিত বাক্য ছেঁটে ফেলে দিন।
এছাড়াও আর্টিকেল রাইটিং এর সময় রাইটারকে সার্চ ইঞ্জিনগুলোর অনপেজ রিলেটেড বেশ কিছু ফ্যাক্টর ফলো করতে হয় যা সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে আর্টিকেল গুলোকে দ্রুত র‍্যাংক করতে সহায়ক হয়। তাই রাইটারকে আর্টিকেলটি লেখার সময় গুরুত্বের সাথে নিচের এসইও চেক লিস্টটি গুলো ফলো করতে হবেঃ
  • টাইটেলে টার্গেটেড কিওয়ার্ডের ব্যবহার
  • কিওয়ার্ড ডেনসিটি ফলো করে
  • কিওয়ার্ড স্টাফিং না করা
  • রিলেটেড রিসোর্সে লিংকিং
ভালো মানের আর্টিকেল লিখতে হলে একজন আর্টিকেল রাইটারের অবশ্যই গুরুত্বপূর্ন কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিৎ। বিষয়গুলো মনে রাখলে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করলে অবশ্যই আর্টিকেল রাইটার হিসেবে সফলতা পাওয়া সম্ভব।
এই ৯টি চেকলিস্ট অবশ্যই ফলো করবেনঃ
  • ওয়েব থেকে লিখা কপি করেছেন কি?
  • আপনি লিখার পূর্বে ভালোভাবে রিসার্স করেছেন কি?
  • আর্টিকেলটি কি ইউজারের চাহিদা মিটাবে?
  • আপনার লিখাটির তথ্যগুলো কি আপডেটেড?
  • আর্টিকেলটিতে কি গ্রামারটিকেল ইরর আছে?
  • আপনার লিখাটি কি ওয়েল ইডিটেড?
  • আর্টিকেলটি কি স্কেনএবল?
  • আপনার আর্টিকেলটি কি সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব?
  • লিখাটি কি ইউজার স্বইচ্ছায় শেয়ার করবে?
কখনোই এমনটি ভাববেন না যে আপনি কপি পেস্ট করে আর্টিকেল লিখবেন। বাজারে অনেক রিরাইট করা যায় এমন টুলস পাওয়া যায়, এগুলো ব্যবহারে কথা মাথা থেকে ঝেরে ফেলুন কেননা এরা ৪০% ক্ষেত্রেই হিউম্যান রিডএবল লেখা দিতে ব্যর্থ।
উপরের টিপসগুলো মাথায় রেখে চর্চা করুন, ইনশাআল্লাহ সফলতা আসবেই।
সকলেই ভালো থাকুন। হ্যাপি ফ্রিল্যান্সিং।

** নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে এবং আমাদের গ্রুপ এ যোগ দিন প্লিজ**

                             Facebook Page (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                              ফেসবুক গ্রুপ    (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                             Web-Site          (ফ্রী বাংলা টিউটোরিয়াল @ আলোর সন্ধানে)
                     
           *****সবাইকে  আলোর সন্ধানের পক্ষ 
থেকে ধন্যবাদ******

© 2013 আলোর সন্ধানে. All rights resevered. Designed by Templateism